
বিশেষ প্রতিনিধি
সত্য, সততা ও বস্তুনিষ্ঠতার আলো ছড়িয়ে সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সাংবাদিক নাহিদা আক্তার লাকী। পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো আপস না করে, ভয়ভীতি ও প্রলোভনকে পেছনে ফেলে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে।
সাংবাদিকতাকে নিছক পেশা নয়, বরং একটি মহান আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছেন তিনি। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত, অসহায়, হতদরিদ্র, ভূমিহীন ও প্রতিবন্ধী মানুষদের অধিকার আদায়ে তিনি সর্বদা সোচ্চার। তাদের দুঃখ-দুর্দশা ও দীর্ঘশ্বাসের গল্পগুলোকে সংবাদমাধ্যমে তুলে এনে সমাধান নিশ্চিত করাই যেন তার নিত্যদিনের প্রধান লক্ষ্য।
তবে তার এই পথচলা কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। দুর্নীতিবাজ, অসাধু চক্র ও মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে তার কলম ও কণ্ঠ সব সময় অনমনীয়। একটি মাদকমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তাকে বারবার মুখোমুখি হতে হয়েছে নানামুখী ষড়যন্ত্রের। ভিত্তিহীন অপপ্রচার, মানহানির চেষ্টা এবং এমনকি প্রাণনাশের হুমকির মতো কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হলেও তাকে আদর্শ থেকে একচুলও নড়ানো যায়নি। সত্যের প্রতি তার এই অবিচল আস্থা তাকে সহকর্মীদের মাঝেও এক অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
পেশাগত পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গিও সুনির্দিষ্ট। নাহিদা আক্তার লাকীর মতে, “সাংবাদিকতায় ছোট-বড় বলতে কিছু নেই; পেশার মর্যাদা রক্ষায় প্রতিটি সহকর্মীকে সম্মান জানানোই আসল নৈতিকতা।”
দেশের অগ্রগতি ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নাহিদা আক্তার লাকীর এই সংগ্রাম কেবল একাকী পথচলা নয়, বরং পুরো সমাজের জন্য একটি বার্তা। দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়া এবং নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধের এই সংগ্রামে সত্যের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়া এখন সময়ের দাবি।