
মোঃ আব্দুল আজিজ মিয়া
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ৬ নং উমর মজিদ ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা খাজা মঈন উদ্দিন কুটিয়াল দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সমাজসেবা ও জনসম্পৃক্ত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। এলাকার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সম্পৃক্ততার কারণে তিনি স্থানীয়ভাবে পরিচিত একটি নাম।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি নিয়মিত গণসংযোগের মাধ্যমে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত গ্রহণ করেন এবং তাদের সমস্যা ও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো জানার চেষ্টা করেন। শিক্ষা, সামাজিক সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন বলে অনেকেই জানান।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ৬ নং উমর মজিদ ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলীয় দায়িত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে স্থানীয় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন বলে এলাকাবাসীর অভিমত।
শিক্ষা অঙ্গনে খাজা মঈন উদ্দিন কুটিয়ালের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুর রহমান মডেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন। কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমের মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা, শিক্ষার্থীদের পাঠদানে উৎসাহ বৃদ্ধি এবং একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে তিনি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে শিক্ষক ও অভিভাবকদের অনেকেই মন্তব্য করেছেন।
এছাড়াও শিক্ষা ক্ষেত্রে তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চলতি বছরের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে রাজারহাট উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। এ অর্জনকে এলাকাবাসী শিক্ষা অঙ্গনের জন্য একটি গৌরবজনক স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি সব সময় সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার চেষ্টা করেন। বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তার অংশগ্রহণ এলাকার মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একজন শিক্ষাবিদ, সমাজসেবী ও রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে খাজা মঈন উদ্দিন কুটিয়াল শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক সম্প্রীতি এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে অবদান রেখে চলেছেন। ভবিষ্যতেও তিনি এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।