
স্টাফ রিপোর্টার,
ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও জাল পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) ব্যবহার করে নারী সাংবাদিক নাহিদা আক্তার লাকির বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচারের প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া এই ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়ে এর পেছনে জড়িত কুচক্রী মহলকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
আজ ১৯ জুলাই সকালে ‘সাংবাদিক ও সুশীল সমাজ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এক বিশাল মানববন্ধনে বক্তারা এই দাবি জানান। স্বতঃস্ফূর্ত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বিভিন্ন স্তরের গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি সুনির্দিষ্ট কুচক্রী মহল সাংবাদিক নাহিদা আক্তার লাকির পেশাগত ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে অন্যের এনআইডি এবং সম্পূর্ণ জাল তথ্য ব্যবহার করে এই প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির এমন অপব্যবহার শুধু একজন সাংবাদিকের মর্যাদাহানি করছে না, বরং তা সুস্থ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার নীতিমালার ওপর এক বড় আঘাত।
সমাবেশে উপস্থিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, ডিজিটাল মাধ্যমের অপব্যবহার করে যারা সমাজে বিশৃঙ্খলা ও ব্যক্তিগত আক্রমণ চালাচ্ছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করা এখন সময়ের দাবি। প্রশাসনের উচিত এই নোংরা অপপ্রচারের পেছনের কুশীলবদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।
মানববন্ধন থেকে প্রশাসনের কাছে অতি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য দুটি মূল দাবি উত্থাপন করা হয়,ভুয়া এনআইডি ব্যবহার ও মিথ্যা অপপ্রচারের পেছনের মূল হোতাদের খুঁজে বের করতে অনতিবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত শুরু করতে হবে।
তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দেশের প্রচলিত আইন ও সাইবার নিরাপত্তা আইনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
মানববন্ধনের সমাপনী বক্তব্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, যদি অবিলম্বে এই বানোয়াট প্রোপাগান্ডা বন্ধ করা না হয় এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা না হয়, তবে আগামীতে আরও কঠোর ও সর্বাত্মক কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।