বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খুলনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন সরকার ওমর ফারুক দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  কলারোয়ায় ৩৭৬ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূর ও ২৫০০ কৃষক পরিবারের ভাগ্যবদলে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন  শ্যামনগরে নামজারি ও জমি ইজারায় দুর্নীতি নায়েব গগন ও ঝাড়ুদার জিতেনের সিন্ডিকেটে জিম্মি বুড়িগোয়ালিনী বেতাগীর কাজীরহাট বাজার দখল, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনায় বদলাচ্ছে না বাজারের চিত্র   সাতক্ষীরায় প্রকাশ্যে ক্ষতিকারক ‘ডেনড্রাইট’ আঠা সেবন ঝুঁকিতে কিশোর ও যুবসমাজ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তালার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের শ্যামনগরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু পুলিশি শৃঙ্কলা ও নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগ বকশী হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার দাবি সাতক্ষীরায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় বৃক্ষমেলা ও বৃক্ষরোপণ অভিযানের সমাপ্তি

শ্যামনগরে উন্নয়নের নামে প্রকৃতির ওপর তাণ্ডব নির্বিচারে হাজার হাজার গাছ নিধনের অভিযোগ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৫৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,

 

১১ এপ্রিল, ২০২৬সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ৯নং বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের পূর্ব দুর্গাবাটি হুলায় চরে উন্নয়নের নামে ভয়াবহ পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। জায়কা (JICA) প্রকল্পের দোহাই দিয়ে ভেকু (এক্সাভেটর) ব্যবহার করে উপড়ে ফেলা হচ্ছে হাজার হাজার ছোট-বড় গাছ। উপকূলীয় রক্ষাকবচ হিসেবে পরিচিত এসব গাছ নিধনের ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উত্তজনা বিরাজ করছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টেকসই বেড়িবাঁধ সুরক্ষার দোহাই দিয়ে ৬নং ওয়ার্ডের পূর্ব দুর্গাবাটি এলাকায় জুবায়ের হোসেন নামের এক ভেকু চালক কয়েকদিন ধরে গাছ কাটার ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সুন্দরবনের সম্পদ হিসেবে পরিচিত প্রচুর কেওড়া গাছসহ হাজার হাজার দেশীয় গাছ উপড়ে ফেলে মাটির নিচে চাপা দেওয়া হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রমাণ লোপাটের জন্য ছোট-বড় সব ধরনের গাছ ধ্বংস করে তার ওপর মাটি ভরাট করা হচ্ছে।

 

 

বিষয়টি জানাজানি হলে ৯নং বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, এই ধ্বংসলীলার পেছনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশ রয়েছে। টাকার বিনিময়ে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে এমন কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে বলে তারা সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই অঞ্চলটি সুন্দরবন সংলগ্ন হওয়ায় গাছপালা আমাদের একমাত্র প্রাকৃতিক দেয়াল। এভাবে গাছ উজাড় করা হলে জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ে এই এলাকা পুরোপুরি অরক্ষিত হয়ে পড়বে। তারা অবিলম্বে জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, “উন্নয়ন হোক প্রকৃতির সুরক্ষা বজায় রেখে, বৃক্ষ নিধন করে নয়।”

 

এদিকে, সরকারি সম্পদ ও পরিবেশের এই অপূরণীয় ক্ষতি নিয়ে বিশেষ অনুসন্ধান শুরু করেছে দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত (ডিএসডি) টিভি’র অনুসন্ধান টিম। বন বিভাগ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য এবং এই দুর্নীতির শেকড় কতদূর, তা নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।

পরিবেশ বিধ্বংসী এই কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

পরবর্তী অনুসন্ধানী খবরের জন্য চোখ রাখুন ‘দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত’ ও ‘ডিএসডি টিভি’র পর্দায়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews