রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকের বিরুদ্ধে যখন উত্তাল সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ, তখনই ভাইরাল স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কথিত ইয়াবা সেবনের ভিডিও! জনমনে তীব্র ক্ষোভ শ্যামনগরে মা’য়ের দাঁত ভাঙলো ছেলে শ্যামনগরে যৌতুকলোভী আজিজুল হক আকাশ গ্রেফতার ডুমুরিয়ার খর্ণিয়া ইউপি নির্বাচন: দলীয় প্রতীক না থাকায় বাড়ছে প্রার্থীর ভিড়, মাঠে নামছেন এক ডজন সম্ভাব্য প্রার্থী ফরিদপুরে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সাথে বিএমডিএ চেয়ারম্যানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত টেকনাফে ইউএনওর উপস্থিতিতে এনজিও কার্যক্রম ও সীমান্ত উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময়, ঝিমংখালী বিজিবি ক্যাম্প পরিদর্শন ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক রোহিঙ্গা আসামি আইয়ুব আলী র‍্যাব-১৫-এর হাতে গ্রেপ্তার উন্নয়নের সুবিধা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না”, অভয়নগরে এডিবি’র উন্নয়ন বরাদ্দ বিতরণ অনুষ্ঠানে এমপি গোলাম রসুল চুকনগরে মাদক, অনলাইন জুয়া ও দুর্নীতি নির্মূলের দাবিতে মানববন্ধন ফরিদপুরে আলী আছগার এমপির অর্থায়নে কৃষকদের মাঝে স্প্রে মেশিন ও শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

পারিবারিক দ্বন্দ্বে বিষ প্রয়োগে ৮–১০টি ছাগলের মৃত্যু

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৬০ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন শ্যামনগর উপজেলা ক্রাইম রিপোর্টার
: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের তালবাড়িয়া গ্রামে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে বিষ প্রয়োগে ৮ থেকে ১০টি ছাগল মারা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল মঙ্গলবার সকালে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তালবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেকের ৮ থেকে ১০টি ছাগল প্রতিদিনের মতো চিংড়ি ঘেরের পাশের রাস্তায় ঘাস খেতে যায়। ওই সময় একই গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত গঙ্গাধার দাশের ঘেরের পাশ থেকে ঘাস খেয়ে ছাগলগুলো বিকেলে বাড়িতে ফিরে আসে। কিছুক্ষণের মধ্যে একটি ছাগল মারা যায়। পরে একের পর এক ছাগল অসুস্থ হতে শুরু করে।

আতঙ্কিত মালেক পরিবারের সদস্যরা তৎক্ষণাৎ স্থানীয় পশু চিকিৎসক আল মামুনকে খবর দেন। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে অসুস্থ ছাগলগুলো পরীক্ষা করে জানান, এগুলো কোনো পয়জন বা বিষ জাতীয় কিছু খেয়েছে। এ তথ্য জানার পর মালেক পরিবার আশপাশে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারে, গঙ্গাধার দাশ তার চিংড়ি ঘেরের রাস্তায় বিষ প্রয়োগ করেছিলেন।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাজী নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি দেখভাল করেন বলে জানা গেছে। তবে তিনি কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, এতগুলো ছাগল মারা যাওয়ায় তারা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ছাগলগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ টাকারও বেশি। এদিকে স্থানীয় থানা পুলিশকে অবহিত করা হলেও তারা কোনো জরুরি ব্যবস্থা নেননি বলেও অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকরা অভিযুক্ত গঙ্গাধার দাশের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

স্থানীয়রা জানান, এই ঘটনাটি গ্রামের পরিবেশে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। দ্রুত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

ভুক্তভোগী আব্দুল মালেক প্রশাসনের কাছে দ্রুত বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews