
আনিসুর রহমান সুমন শ্যামনগর
চলতি বছরের জুন,জুলাই ও আগষ্ট এ তিন মাস সরকারী ভাবে সুন্দরবনে সব ধরনের পাশ পারমিট বন্ধ রয়েছে। এমনকি পর্যটকদের ক্ষেত্রেও একই আইন চলমান রয়েছে। অথচ সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী ষ্টেশন কর্মকর্তা ও কথিত ক্যাশিয়ারের সহযোগিতায় পকেট মানিতে সুন্দরবনে মাছ কাকড়া ধরা অব্যহত রয়েছে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, বুড়ি গোয়ালিনী ষ্টেশনের কতিপয় দালার ও সিপিজি’র সদস্যদের মাধ্যমে গন (১৫) দিন চুক্তিতে ষ্টেশন কর্মকর্তা মোটা অংকের টাকা চুক্তিতে সুন্দরবন বন্দের সময় অসাধু জেলেদের সুন্দরবনে মাছ কাঁকড়া আহরনের সুযোগ দিচ্ছে। নাম প্রকাশ না করা সত্ত্বে এক জেলে জানান, আমরা দালালদের মাধ্যমে মোট অংকের টাকা দিতে না পারায় সুন্দরবনে যেতে পারছি না।বিধায আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে খেয়ে না খেয়ে কোন রকমে বেচে আছি। অনেকে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। যারা বন বিভাগের দালালদের মাধ্যমে প্রতি গোনে অথাৎ (১৫) দিনে ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা দিয়ে অনেক জেলে বন্ধের সময়ও সুন্দরবনে যাচ্ছ। তিনি আরো জানান, সুন্দরবনে বন বিভাগের সদস্যদের টহল দিতে দেখা যায় না। সিপিজির সদস্যরা টহল দিলেও বন বিভাগের চুক্তিকৃত জেলেদের আটক করা নিষেদ রয়েছে। নাম প্রকাশে এক সিপিজি সদস্য জানান, বুড়িগোয়ালিনী ষ্টেশনের চুক্তিকৃত একটি নৌকা আটক করে তার সদস্য পদ যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তাহা ছাড়া সম্প্রতি সিপিজির এক মহিলা সদস্য এই প্রতিবেদকের সামনে ফোন করে বনবিভাগের এক কর্মকর্তাকে বলছে স্যার দুইখানা নৌকার টাকা দিতে গিয়ে অফিসে গিয়ে আপনাকে না পেয়ে ফিরে আসলাম। সেখানে ওই কর্মকর্তা প্রতি উত্তরে বলছে মোকছেদের চায়ের দোকানে রাখতে। পরের দিন চায়ের দোকানে গিয়ে দোকানদারের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তিনি স্বীকারও করেছেন এবং টাকা এখনো নিয়ে যায়নি বলে ও জানান। এ বিষয়ে বুড়িগোয়ালিনী ষ্টেশন কর্মকর্তার মোবাইলে বারবার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোনটি না ধরায় কথা বলা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি বনবিভাগের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অসহায় জেলেরা।
ছবির ক্যাপশন- বুড়িগোয়ালিনী ষ্টেশনের পাশ্বে নীলডুমুর বাজার থেকে সন্ধ্যার পরে ভ্যানভক্তি কাঁকড়া ছবিটি ক্যামেরা বন্দী করা।