বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজৈরে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা খুলনা মহানগরীতে জলবায়ু স্থানচ্যুতি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র হস্তান্তর আন্তর্জাতিক যুব দিবসে তালায় জামায়াতের যুব বিভাগের সাইকেল র‍্যালি খুলনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন সরকার ওমর ফারুক দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  কলারোয়ায় ৩৭৬ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূর ও ২৫০০ কৃষক পরিবারের ভাগ্যবদলে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন  শ্যামনগরে নামজারি ও জমি ইজারায় দুর্নীতি নায়েব গগন ও ঝাড়ুদার জিতেনের সিন্ডিকেটে জিম্মি বুড়িগোয়ালিনী বেতাগীর কাজীরহাট বাজার দখল, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনায় বদলাচ্ছে না বাজারের চিত্র   সাতক্ষীরায় প্রকাশ্যে ক্ষতিকারক ‘ডেনড্রাইট’ আঠা সেবন ঝুঁকিতে কিশোর ও যুবসমাজ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তালার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের

শ্যামনগরে আনিকা ক্লিনিকের অপচিকিৎসা মুমূর্ষু রোগীকে ২৪ ঘণ্টা জিম্মি রেখে বিদায়, জনরোষের মুখে ডা. আনিসুর

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩০৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ‘আনিকা প্রাইভেট ক্লিনিক’-এর বিরুদ্ধে বিষপান করা এক রোগীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে ভর্তি রেখে জীবন সংকটাপন্ন করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে আইনি স্পর্শকাতর (মেডিকো-লিগ্যাল) রোগীকে ২৪ ঘণ্টা আটকে রাখা এবং মুমূর্ষু অবস্থায় কোনো প্রকার সহায়তা ছাড়াই রেফার করার ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

 

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকাল ৪টায় কৈখালী ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের আবুল হোসেনের মেয়ে সালেহা খাতুন (২৭) বিষপান করলে তাকে আনিকা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের নিয়ম ও সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিষপানের রোগীর ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ‘স্টোমাক ওয়াশ’ বা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর বাধ্যতামূলক। কিন্তু অধিক বিল হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ক্লিনিক মালিক ডা. আনিসুর রহমান রোগীকে দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টা আটকে রাখেন।

 

আজ রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়লে তড়িঘড়ি করে তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ক্লিনিকের কোনো স্ট্রেচার বা ট্রলি ছাড়াই রোগীকে স্বজনরা কোলে করে দৌড়ে অ্যাম্বুলেন্সে তুলছেন। এ সময় ক্লিনিকের কোনো নার্স বা ওয়ার্ড বয়কে ন্যুনতম সহায়তা করতে দেখা যায়নি। রোগীর জীবন এখন মৃত্যুঝুঁকিতে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, ডা. আনিসুর রহমানের অনিয়ম এখন ‘ওপেন সিক্রেট’। তার বিরুদ্ধে রয়েছে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ:

 

 

দালাল নির্ভর চিকিৎসা: স্থানীয় কিছু অসাধু চিকিৎসকের সঙ্গে যোগসাজশ করে কমিশন ভিত্তিক রোগী ভাগিয়ে আনার সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন তিনি।

 

আর্থিক শোষণ ও নির্যাতন,কিছুদিন আগে রোগীর স্বজনদের মারধর করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তদন্তাধীন থাকাবস্থায় এই নতুন ঘটনা ঘটল।

 

প্রভাবশালী ছত্রছায়া,শ্যামনগরের একটি প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়ে ডা. আনিসুর ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন। অভিযোগ আছে, ঘটনা ধামাচাপা দিতে তিনি সাংবাদিকদের মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য ডা. আনিসুর রহমানের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি সংবাদকর্মীরা ক্লিনিকে গেলে তিনি গা ঢাকা দেন।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারের দৃষ্টি

আকর্ষণ করে স্থানীয় সচেতন মহল দাবি জানিয়েছেন

অনতিবিলম্বে আনিকা প্রাইভেট ক্লিনিকটি সিলগালা করা হোক।

লাইসেন্সবিহীন বা নিয়মবহির্ভূত কার্যক্রমের জন্য ডা. আনিসুরের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

জনস্বার্থ পরিপন্থী এই ‘ক্লিনিক সিন্ডিকেট’ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হোক।

সাধারণ মানুষের দাবি, “স্বাস্থ্যসেবা যখন বাণিজ্যে পরিণত হয় এবং প্রশাসনের নাকের ডগায় অনিয়ম চলে, তখন সাধারণ মানুষের যাওয়ার জায়গা থাকে না। আমরা এই ক্লি

নিকের স্থায়ী বন্ধ চাই

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews