বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজৈরে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা খুলনা মহানগরীতে জলবায়ু স্থানচ্যুতি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র হস্তান্তর আন্তর্জাতিক যুব দিবসে তালায় জামায়াতের যুব বিভাগের সাইকেল র‍্যালি খুলনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন সরকার ওমর ফারুক দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  কলারোয়ায় ৩৭৬ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূর ও ২৫০০ কৃষক পরিবারের ভাগ্যবদলে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন  শ্যামনগরে নামজারি ও জমি ইজারায় দুর্নীতি নায়েব গগন ও ঝাড়ুদার জিতেনের সিন্ডিকেটে জিম্মি বুড়িগোয়ালিনী বেতাগীর কাজীরহাট বাজার দখল, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনায় বদলাচ্ছে না বাজারের চিত্র   সাতক্ষীরায় প্রকাশ্যে ক্ষতিকারক ‘ডেনড্রাইট’ আঠা সেবন ঝুঁকিতে কিশোর ও যুবসমাজ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তালার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের

সাতক্ষীরা মেডিকেলে সরকারি ঔষধ পাচার সিন্ডিকেট নেপথ্যে ফার্মাসিস্ট আক্তার-গোলাম চক্র

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৫৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মেহেদী হাসান, সম্পাদক ও প্রকাশক

 

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (সামেক) ঔষধ জালিয়াতি ও পাচার সিন্ডিকেটের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হয়েছে। হাসপাতালের ফার্মেসি বিভাগ থেকে “ঔষধ নেই” বলে রোগীদের ফিরিয়ে দেওয়া হলেও, খোদ হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবকের ভাড়া বাড়িতে মিলছে বস্তাভর্তি সরকারি ঔষধের স্তূপ। গত রবিবার (১১ ডিসেম্বর) ভোরে সাতক্ষীরা বাইপাস সড়ক সংলগ্ন খড়িবিলা এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। এতে সরাসরি হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট আক্তারুল ইসলাম ও ইনচার্জ গোলাম হোসেনের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

 

দীর্ঘদিন ধরেই সামেক হাসপাতালের ঔষধ চুরির খবর সংবাদের শিরোনাম হয়ে আসছিল। তবে এবারের ঘটনাটি হাতেনাতে ধরা পড়ার মতো। স্থানীয় যুবকরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবক মো. শাহিনুর ইসলামের ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে ঘরের জানালা দিয়ে মেঝেতে ঔষধের স্তূপ দেখে তারা হতবাক হয়ে যায়। পরে ঘরের ভেতর তল্লাশি চালিয়ে খাটের নিচ থেকে আরও কয়েক বস্তা জীবন রক্ষাকারী সরকারি ঔষধ উদ্ধার করা হয়।

 

ধরা পড়ার পর শাহিনুর ইসলাম নিজেকে নির্দোষ দাবি করে পুরো সিন্ডিকেটের কর্মকাণ্ড ফাঁস করে দেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান

“আমি তো কেবল চুনোপুঁটি, আসল রাঘব বোয়ালদের ধরুন। হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট আক্তারুল ইসলাম ও ইনচার্জ গোলাম হোসেন যদি ঔষধ না দেন, তবে আমরা এগুলো কোথায় পাবো? তারা আমার মতো অনেক স্টাফের কাছে নিয়মিত সরকারি ঔষধ গোপনে বিক্রি করে আসছেন

 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাসপাতালের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘকাল ধরে এই ঔষধ পাচার ব্যবসার সাথে জড়িত। যার কারণে হাসপাতালে আসা দরিদ্র রোগীরা সাধারণ প্যারাসিটামল বা স্যালাইন থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। অভিযুক্ত শাহিনুর জানিয়েছেন, এই চক্রে ডাক্তার থেকে শুরু করে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা পর্যন্ত সুবিধাভোগী রয়েছে।

 

পুরো বিষয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. কুদরত-এ-খোদা’র সাথে যোগাযোগের একাধিক চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বা হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার কোনো জবাব দেননি। তার এই নীরবতা জনমনে আরও সন্দেহের দানা বাঁধছে।

সাতক্ষীরাবাসী অবিলম্বে এই ‘ঔষধ চোর’ সিন্ডিকেটের সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

 

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews