রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রকল্প বাস্তবায়নে কোটি  টাকা আত্মসাতের অভিযোগ গাজীপুরে প্রাপ্তি পরিচিতি জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় ভাঙ্গুড়ার আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শনে এসিল্যান্ড, বিক্রি হওয়া ঘরের বরাদ্দ বাতিলের ঘোষণা কালীগঞ্জে সাংবাদিককে অপহরণ ও নির্মম নির্যাতন জোরপূর্বক ‘স্বীকারোক্তি’ ভিডিও ধারণ, আইনের আওতায় আনার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে জনতা কক্সবাজার সীমান্তে ইয়াবা পাচার ঠেকাতে বিজিবির ড্রোন ও অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি টেকনাফে কোস্ট গার্ডের মাদকবিরোধী অভিযান: ৪০ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক শ্যামনগরে কনস্টেবল মেহেদীর বিরুদ্ধে লাগাতার মাদক সেবনের অভিযোগ দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোরালো দাবি, ডোপ টেস্টের আহ্বান সাতক্ষীরার নারী জেলা প্রশাসককে নিয়ে সংসদে কটূক্তির প্রতিবাদে তালায় মানববন্ধন মাদকের বিরুদ্ধে যখন উত্তাল সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ, তখনই ভাইরাল স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কথিত ইয়াবা সেবনের ভিডিও! জনমনে তীব্র ক্ষোভ শ্যামনগরে মা’য়ের দাঁত ভাঙলো ছেলে

সাতক্ষীরা মেডিকেলে সরকারি ঔষধ পাচার সিন্ডিকেট নেপথ্যে ফার্মাসিস্ট আক্তার-গোলাম চক্র

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মেহেদী হাসান, সম্পাদক ও প্রকাশক

 

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (সামেক) ঔষধ জালিয়াতি ও পাচার সিন্ডিকেটের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হয়েছে। হাসপাতালের ফার্মেসি বিভাগ থেকে “ঔষধ নেই” বলে রোগীদের ফিরিয়ে দেওয়া হলেও, খোদ হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবকের ভাড়া বাড়িতে মিলছে বস্তাভর্তি সরকারি ঔষধের স্তূপ। গত রবিবার (১১ ডিসেম্বর) ভোরে সাতক্ষীরা বাইপাস সড়ক সংলগ্ন খড়িবিলা এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। এতে সরাসরি হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট আক্তারুল ইসলাম ও ইনচার্জ গোলাম হোসেনের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

 

দীর্ঘদিন ধরেই সামেক হাসপাতালের ঔষধ চুরির খবর সংবাদের শিরোনাম হয়ে আসছিল। তবে এবারের ঘটনাটি হাতেনাতে ধরা পড়ার মতো। স্থানীয় যুবকরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবক মো. শাহিনুর ইসলামের ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে ঘরের জানালা দিয়ে মেঝেতে ঔষধের স্তূপ দেখে তারা হতবাক হয়ে যায়। পরে ঘরের ভেতর তল্লাশি চালিয়ে খাটের নিচ থেকে আরও কয়েক বস্তা জীবন রক্ষাকারী সরকারি ঔষধ উদ্ধার করা হয়।

 

ধরা পড়ার পর শাহিনুর ইসলাম নিজেকে নির্দোষ দাবি করে পুরো সিন্ডিকেটের কর্মকাণ্ড ফাঁস করে দেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান

“আমি তো কেবল চুনোপুঁটি, আসল রাঘব বোয়ালদের ধরুন। হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট আক্তারুল ইসলাম ও ইনচার্জ গোলাম হোসেন যদি ঔষধ না দেন, তবে আমরা এগুলো কোথায় পাবো? তারা আমার মতো অনেক স্টাফের কাছে নিয়মিত সরকারি ঔষধ গোপনে বিক্রি করে আসছেন

 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাসপাতালের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘকাল ধরে এই ঔষধ পাচার ব্যবসার সাথে জড়িত। যার কারণে হাসপাতালে আসা দরিদ্র রোগীরা সাধারণ প্যারাসিটামল বা স্যালাইন থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। অভিযুক্ত শাহিনুর জানিয়েছেন, এই চক্রে ডাক্তার থেকে শুরু করে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা পর্যন্ত সুবিধাভোগী রয়েছে।

 

পুরো বিষয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. কুদরত-এ-খোদা’র সাথে যোগাযোগের একাধিক চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বা হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার কোনো জবাব দেননি। তার এই নীরবতা জনমনে আরও সন্দেহের দানা বাঁধছে।

সাতক্ষীরাবাসী অবিলম্বে এই ‘ঔষধ চোর’ সিন্ডিকেটের সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

 

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews