বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খুলনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন সরকার ওমর ফারুক দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  কলারোয়ায় ৩৭৬ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূর ও ২৫০০ কৃষক পরিবারের ভাগ্যবদলে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন  শ্যামনগরে নামজারি ও জমি ইজারায় দুর্নীতি নায়েব গগন ও ঝাড়ুদার জিতেনের সিন্ডিকেটে জিম্মি বুড়িগোয়ালিনী বেতাগীর কাজীরহাট বাজার দখল, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনায় বদলাচ্ছে না বাজারের চিত্র   সাতক্ষীরায় প্রকাশ্যে ক্ষতিকারক ‘ডেনড্রাইট’ আঠা সেবন ঝুঁকিতে কিশোর ও যুবসমাজ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তালার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের শ্যামনগরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু পুলিশি শৃঙ্কলা ও নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগ বকশী হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার দাবি সাতক্ষীরায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় বৃক্ষমেলা ও বৃক্ষরোপণ অভিযানের সমাপ্তি

সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য কর্মকর্তা ওমর ফারুক বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ  

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৭৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি।

 

সাতক্ষীরা জেলার খাদ্য গুদাম গুলোতে ভয়ঙ্কর দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠেছে যার ভাগ প্রতি মাসেই সাতক্ষীরা জেলা কর্মকর্তা ওমর ফারুক পান । মিলারদের কাছ থেকে টনপ্রতি ৪০০–৫০০ টাকা ঘুষ নিয়ে গুদামে ঢুকানো হয়েছে নিম্নমানের চাল! অল্প সময়ে কোটিপতি বনে গেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ও সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য ওমর ফারুক বিরোধী

 

স্থানীয় মিল মালিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা ওমর ফারুক প্রতি মাসে মোটা অংকের ঘুষ বাণিজ্যের করেন বলে জানা গিয়েছেন। কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, এই ঘুষ এখন ওপেন সিক্রেট বিষয়—একে বলা হয় “অফিসিয়াল খরচ”! নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঘুষের এই রেট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয় থেকে নির্ধারণ করা হয় আঞ্চলিক খাদ্য কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে। উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বলা হচ্ছে—“তোমরা শুধু নিয়ম মেনে চলো, দোষ গেলো ওপরে।”

 

অভিযোগ উঠেছে, ভালো মানের চালও ঘুষ ছাড়া গুদামে ঢুকতে পারে না। মিলাররা বলেন—“ঘুষ না দিলে আমাদের ভালো চালও মন্দ বলে ফেরত দেয়। আবার ঘুষ দিলে মন্দ টাকেও ভালো বলে গ্রহণ করে। আমরা প্রতিবাদ করলে ব্যবসা ও লাইসেন্স ঝুঁকির মুখে পড়ে।”

 

সম্প্রতি বোরো মৌসুমে এই ঘুষ বাণিজ্য ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। বিভিন্ন গুদামে নিম্নমানের চাল জমা পড়েছে, অথচ সরকারি তদারকি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন

 

“জনগণের ট্যাক্সের টাকায় চাল সংগ্রহের এই প্রকল্পে যদি ঘুষ–দুর্নীতি চলে, তবে সাধারণ মানুষের জন্য সরকার কিসের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে? যে কর্মকর্তারা কোটি টাকার মালিক বনে যাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কে? চুনোপুঁটি নয়—কেন বড় সিন্ডিকেটকে ধরা হচ্ছে না?”

 

বিশ্লেষকরা বলছেন, এভাবে নিম্নমানের চাল গুদামে জমা পড়লে খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তাদের অধিকার দুটোই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সরকারি চাল সংগ্রহের নামে এ ধরনের ঘুষ বাণিজ্য শুধু সরকারি কোষাগারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, একই সঙ্গে জনবিশ্বাসকেও ধ্বংস করছে।

 

এখন প্রশ্ন উঠছে—“সরকার কবে এই দুর্নীতি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে? অথবা জনগণকে আরও কতদিন ভোগান্তি পোহাতে হবে?”

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews