সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাজারো নক্ষত্র গড়ার কারিগর নজরুল ইসলাম স্যার আর নেই, ফরিদপুর চিথুলিয়ায় চায়ের দোকানদার ও মসজিদ-ঈদগাহের খাদেম নিখোঁজ রাজধানীতে চিকিৎসা নিতে এসে নিখোঁজ পাবনার বৃদ্ধ ইসহাক আলী, ধানমন্ডি থানায় জিডি মাদারীপুরের রাজৈরে বাঁশ বোঝাই ট্রাক উল্টে চালক নিহত। জনদুর্ভোগ লাঘবে ৪৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সাতক্ষীরায় শাখরা ব্রিজ সংস্কার কাজ শুরু হবে -আলহাজ্ব আব্দুর রউফ মামা কর্তৃক আপন ভাগ্নের সাথে প্রতারণা, লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ উখিয়ায় ৫৯৫ পিস ইয়াবাসহ একই পরিবারের চার ভাই-বোন গ্রেফতার প্রাইম ইউনিভার্সিটি ‘ল’ এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন সম্পাদক ও সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন রুবেল; ‘দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত’ পরিবারের শুভেচ্ছা তালায় ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত শিল্প বর্জ্যের বিষাক্ত দূষণে বিপর্যস্ত বসুন্দিয়া ও আশপাশের জনজীবন; সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিকদের হুমকির অভিযোগ

মামা কর্তৃক আপন ভাগ্নের সাথে প্রতারণা, লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

খুলনা, প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা আমিনিয়া মার্কেটের ইমাম আবুল বাশারের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগ

সাতক্ষীরা আমিনিয়া মার্কেটের ইমাম আবুল বাশার তার আপন ভাগ্নেকে সৌদি আরবে ড্রাইভিং কাজ দেবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। বিগত এক বছর যাবৎ তাকে কোনো কাজ দেওয়া হয়নি।

এরপর তিনি মিথ্যা মিডিয়ার মাধ্যমে কিছু বানোয়াট কথা বলিয়ে তার আপন ভাগ্নেকে দোষী সাব্যস্ত করেন। ভিডিওর সামনে ভাগ্নেকে বিভিন্ন চাঁদাবাজ বলে দাবি করেন — যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এই সমস্ত কথা তিনি কোথাও সত্য প্রমাণ করতে পারেননি এবং পারবেনও না।

এবং তিনি তার বোন ও বোনের স্বামীকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন। এক পর্যায়ে তার বোনের স্বামী সাতক্ষীরা থানায় জিডি করেন।

শুধু তাই নয়, তিনি দাবি করেন আবুল বাশারের নাকি গ্রামের বাড়ি কালাবাগী বাজারে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল। ২০১৮ সালে মামা-ভাগ্নে হিসেবে তাদের একটি দোকান ছিল, কিন্তু দোকানটি আবুল বাশারের নামে ছিল না। জানা গেছে দোকানটি ছিল তাদের শেয়ারে। দোকানে লস হওয়ার কারণে সম্পূর্ণ লসের ভাগ তিনি আপন ভাগ্নের উপরে চাপিয়ে দেন।

মিথ্যাবাদী আবুল বাশার এখন বলছেন, ২০২৫ সালে তার নাকি ৫ লক্ষ টাকা সেই দোকান থেকে লুট করে ভাগ্নে সৌদি আরবে গিয়েছেন। অথচ দোকানের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল ২০১৮ সালে।

নিজেকে রক্ষা করার জন্য মিথ্যাবাদী আবুল বাশার থানায় ডায়েরি করে আসেন এবং ভাগ্নের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ দেন। ভাগ্নেকে বিভিন্নভাবে দোষী সাব্যস্ত করে সাংবাদিকদের টাকা দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যার আশ্রয় নেন।

এই বিষয়ে আবুল বাশার ভাগ্নেকে বিভিন্ন অপবাদ দেওয়ার কারণে এবং আপন বোনকেও অস্বীকার করে ভাগ্নেকে “বাপ-মার অবাধ্য সন্তান” বলে আখ্যা দেন।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা ও আশাশুনি থানার পুলিশ সুপার মহোদয়ের কাছে ভিডিওর মাধ্যমে বারবার রিকোয়েস্ট করা হচ্ছে — মামা আবুল বাশারকে আইনের আওতায় আনা হোক।

সাতক্ষীরা সদর থানা ও আশাশুনি থানার ওসি মহোদয়ের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।আইনের আশ্রয় চাই।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews