বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজৈরে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা খুলনা মহানগরীতে জলবায়ু স্থানচ্যুতি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র হস্তান্তর আন্তর্জাতিক যুব দিবসে তালায় জামায়াতের যুব বিভাগের সাইকেল র‍্যালি খুলনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন সরকার ওমর ফারুক দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  কলারোয়ায় ৩৭৬ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূর ও ২৫০০ কৃষক পরিবারের ভাগ্যবদলে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন  শ্যামনগরে নামজারি ও জমি ইজারায় দুর্নীতি নায়েব গগন ও ঝাড়ুদার জিতেনের সিন্ডিকেটে জিম্মি বুড়িগোয়ালিনী বেতাগীর কাজীরহাট বাজার দখল, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনায় বদলাচ্ছে না বাজারের চিত্র   সাতক্ষীরায় প্রকাশ্যে ক্ষতিকারক ‘ডেনড্রাইট’ আঠা সেবন ঝুঁকিতে কিশোর ও যুবসমাজ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তালার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের

খোলপেটুয়া নদীর চর দখল ও ভরাটে প্রতিযোগিতা শ্যামনগরে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

আবুজার গাজী, খুলনা বিভাগীয় প্রধান।

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় খোলপেটুয়া নদীর চর দখল ও ভরাটকে কেন্দ্র করে চলছে এক অঘোষিত প্রতিযোগিতা। স্থানীয় প্রশাসনের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে উপজেলার ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়নের গড়কুমারপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় প্রকাশ্যে নদীর চর দখল ও ভরাট কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে একাধিক প্রভাবশালী মহল।

জানা গেছে, ভূমি অফিসের নাকের ডগায় বসেই নদীর চরে অবৈধ দখল, ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণের মতো কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার নিষেধাজ্ঞা জারি থাকলেও তা কার্যত অগ্রাহ্য করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই দখল প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রয়েছেন ব্যবসায়ী নুরুল আমিন সানা ও ইকবালুর রহমানসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। অভিযোগ রয়েছে, নুরুল আমিন সানা পূর্ব থেকেই নদীর জায়গা দখল করে সেখানে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। বর্তমানে তিনি আবার নতুন করে নদীর আরও অংশ দখল করে ভরাট কাজ শুরু করেছেন।

এদিকে, গড়কুমারপুর বাজার সংলগ্ন খোলপেটুয়া নদীর তীরে অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও পিছিয়ে নেই। কে আগে দখল করে স্থাপনা গড়ে তুলতে পারেন—এ নিয়ে চলছে নীরব প্রতিযোগিতা। কেউ নদীর বাঁধে, আবার কেউ নদীর জেগে ওঠা চরে গড়ে তুলছেন দোকানপাট ও পাকা স্থাপনা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এমন অবৈধ কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে চললেও সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস ও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। ফলে দখলদাররা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

এ বিষয়ে সচেতন মহল বলছে, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে খোলপেটুয়া নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হবে এবং পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে। তাই নদী রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews