সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পুনরায় যোগদান করলেন কর্মদক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউনুস আলী রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং এর আয়োজনে ২৬তম বেল্ট বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হল ৭৫টি সেলাই নিয়েও মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই, ৩০ দিনেও ধরা পড়েনি  আসামি পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ আদমদীঘিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা সাকিব গ্রেপ্তার! ট্রাস্কফোর্স অভিযানে একাধিক মামলার আসামি নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার; ইয়াবা, হেরোইন ও গাঁজা উদ্ধার মাদকবিরোধী অভিযানে সোচ্চার হয়ে সরকারের সাথে তাল মিলিয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করতে চাই তালার ৪ নং কুমিরা ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারগন। নবাগত পুলিশ সুপার আশিস বিন হাছান: ঝিনাইদহকে  শান্ত ও মাদকমুক্ত জনপদ গড়ার প্রত্যয়  ফকিরহাটে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পথচারী নিহত কলারোয়ায় টিআর-কাবিখা প্রকল্পে লাখ লাক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের দাবি জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল নবাবগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

কালিয়াকৈরে রেলওয়ে জমি অবৈধভাবে দখল করে গড়ে  তোলা শতাধিক দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে গ্রাম্যমান আদালত 

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর)প্রতিনিধি

 

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় রেলওয়ের জমি অবৈধভাবে দখল করে গড়ে তোলা শতাধিক দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার পূর্বচান্দরা মাটিকাটা রেললাইন বাজার, রতনপুর রেলস্টেশন ও ভান্নারা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। এতে প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের রেলওয়ের জমি উদ্ধার হয়েছে।

 

বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এবং কালিয়াকৈর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাহিম শাহরিয়ারের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র রেললাইনের পাশের জমি দখল করে দোকানপাট ও টিনশেড স্থাপনা তৈরি করে ভোগদখল করছিল। এতে ট্রেন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল।

কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর স্বেচ্ছায় স্থাপনা সরিয়ে নিতে একাধিকবার নোটিশ ও মাইকিং করা হয়। কিন্তু নির্দেশ অমান্য করে স্থাপনা না সরানোয় বুধবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, মাটিকাটা রেললাইন বাজারে ভাঙা টিন, বাঁশ, কাঠ ও ত্রিপল ছড়িয়ে আছে। শ্রমিকরা দড়ি টেনে টিনের চালা ও বেড়া ভেঙে ফেলছেন। অনেক ব্যবসায়ী মালপত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। উচ্ছেদ হওয়া দোকানের মধ্যে চায়ের দোকান, মুদি দোকান, ওয়ার্কশপ ও বসতঘর রয়েছে। রেললাইন থেকে মাত্র ১০-১২ ফুট দূরেই ছিল এসব স্থাপনা।

 

উচ্ছেদের শিকার লুৎফর রহমান ও হাবিবুর হৃদয় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা তো স্থানীয় নেতা ও রেলওয়ে কর্মচারীদের টাকা দিয়েই দোকান করেছি। আমাদের কাছে জমির যে লিজ আছে সেটা নাকি অবৈধ ও নকল। যারা লাখ লাখ টাকা নিয়ে নকল কাগজ দিল, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয় না কেন? আমরা গরিব মানুষ, সামান্য পুঁজি নিয়ে দোকান করেছিলাম। এখন পথে বসলাম।

 

বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা ও রেলওয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলাম বলেন,দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের জমি দখল করে স্থাপনা তৈরি করে ভোগদখল করছিল একটি চক্র।যা রেললাইন ও ট্রেন চলাচলের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ । সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা তৈরির কোনো নিয়ম নেই। তাই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এসব উচ্ছেদ করা হয়েছে। আমাদের এ উচ্ছেদ অভিযান সব সময় চলমান থাকবে। তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত জমির আনুমানিক বাজারমূল্য ৫ কোটি টাকা। নকল লিজের কাগজ দেওয়া চক্রটিকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

 

স্থানীয়দের দাবি, গত বছরের ৫ আগস্ট উচ্ছেদের পরও একই জায়গায় ফের দখল করে স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছিল। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুনর্দখল ঠেকাতে নিয়মিত মনিটরিং করা হবে এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews