বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজৈরে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা খুলনা মহানগরীতে জলবায়ু স্থানচ্যুতি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র হস্তান্তর আন্তর্জাতিক যুব দিবসে তালায় জামায়াতের যুব বিভাগের সাইকেল র‍্যালি খুলনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন সরকার ওমর ফারুক দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  কলারোয়ায় ৩৭৬ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূর ও ২৫০০ কৃষক পরিবারের ভাগ্যবদলে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন  শ্যামনগরে নামজারি ও জমি ইজারায় দুর্নীতি নায়েব গগন ও ঝাড়ুদার জিতেনের সিন্ডিকেটে জিম্মি বুড়িগোয়ালিনী বেতাগীর কাজীরহাট বাজার দখল, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনায় বদলাচ্ছে না বাজারের চিত্র   সাতক্ষীরায় প্রকাশ্যে ক্ষতিকারক ‘ডেনড্রাইট’ আঠা সেবন ঝুঁকিতে কিশোর ও যুবসমাজ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তালার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের

মৃত্যুর পরও কাটেনি পাহাড়ধসের আতঙ্ক, উখিয়া-টেকনাফের ক্যাম্পে ঝুঁকিতে লাখো রোহিঙ্গা

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে

নজরুল ইসলাম খোকন ,টেকনাফ, কক্সবাজার

 

এক রাতে আটটি প্রাণ ঝরে যাওয়ার পরও থামেনি আতঙ্ক। টানা বর্ষণে নরম হয়ে পড়া গাছপালাহীন পাহাড়ের ঢাল এখনো উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরগুলোর জন্য বড় হুমকি হয়ে রয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশ ও ঢালে নির্মিত হাজারো ঝুপড়িঘরে বসবাসরত লাখো রোহিঙ্গা প্রতিদিন মৃত্যুঝুঁকি নিয়েই দিন কাটাচ্ছেন। নিরাপদ আশ্রয়ের সংকট থাকায় চাইলেও তারা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ছেড়ে যেতে পারছেন না। ফলে যে কোনো সময় আবারও ভয়াবহ প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও ক্যাম্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ৫ জুলাই দিবাগত গভীর রাতে উখিয়ার তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ আটজনের মৃত্যু হয়। টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে পাহাড়ের মাটি আলগা হয়ে যাওয়ায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ২৫০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়, যা পাহাড়ধসের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে জামতলী ১৫ নম্বর ক্যাম্পের ডি-৬ ব্লকে। রাত দেড়টার দিকে পাহাড়ের বিশাল একটি অংশ ধসে কামাল হোসাইন (৪৪)-এর বসতঘরের ওপর পড়ে। ঘুমন্ত অবস্থায় মাটিচাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান কামাল, তাঁর স্ত্রী হুমায়রা বেগম (৩৯) এবং চার বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ আনাস।

একই রাতে বালুখালী ১১ নম্বর ক্যাম্পের সি-১১ ব্লকে পাহাড়ধসে একটি পরিবারের চার সদস্য নিহত হন। তারা হলেন উম্মে হাবিবা (২৭), তানজিনা আক্তার (১৩), মোহাম্মদ রিহান (৫) ও হারুনুর রশিদ (৩)।

এদিকে কুতুপালং ৭ নম্বর ক্যাম্পের ডি-৭ ব্লকে পাহাড়ি ঢলের কাদার নিচে চাপা পড়ে শ্বাসরোধে মারা যায় সাত বছর বয়সী রোহিঙ্গা শিশু মো. একরাম।

দুর্ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিস, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করেন। আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর অধিকাংশ আশ্রয়কেন্দ্রই পাহাড় কেটে বা পাহাড়ের ঢালের খুব কাছাকাছি নির্মাণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ের গাছপালা উজাড় হওয়ায় ভারী বৃষ্টিতে মাটি আলগা হয়ে সহজেই ধসে পড়ছে। প্রতি বর্ষা মৌসুমেই এমন দুর্ঘটনা ঘটলেও নিরাপদ স্থানে পর্যাপ্ত আশ্রয়ের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো পুরোপুরি খালি করা সম্ভব হচ্ছে না।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি থেকে নির

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews