শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিয়ানমারে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সীমান্তবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ, উখিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার মজিদা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবেদ আলীর ৫৮তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন    বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিক সাকিব আহমেদ শান্তর স্মরণে দোয়া মাহফিল; পরিবারের হাতে ৬৪ হাজার ২৮০ টাকা আর্থিক সহায়তা বেনাপোল বন্দরে ওজনস্কেলে কারসাজির অভিযোগ! অনিয়মে  হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতির আশঙ্কা প্রবাসে বসে ভুয়া ফেসবুক পেজে চাঁদাবাজি, নেপথ্যে সাতক্ষীরা ও নড়াইলের সিন্ডিকেট ঝিনাইদহ ইকোপার্কে মাদক ও অসামাজিক  কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে চৌগাছা সরকারি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ডাসারে কৃষি প্রনোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কালিয়াৈকর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবলের সংকট সাধারণ রোগীদের চরম ভোগান্তি 

কালিগঞ্জে মাদ্রাসায় অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে অভিভাবকদের উদ্বেগ, ছাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া শুরু

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

কালিগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া হাটখোলা এলাকায় একটি মহিলা মাদ্রাসার মুহতামিমের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পর গত দুই দিনে অন্তত ২৬ জন ছাত্রীকে তাঁদের অভিভাবকেরা মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিয়ে গেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র, অভিভাবক ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ধলবাড়িয়া দারুল কুরআন মহিলা মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিংটি ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে সেখানে একজন মুহতামিম, চারজন আলেমা শিক্ষিকা এবং ৫১ জন ছাত্রী রয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, গত ২৫ জুন গভীর রাতে মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ আবু সাঈদ এক ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে অনৈতিক আচরণ করেন। কয়েকজন ছাত্রী বিষয়টি দেখতে পান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে বিষয়টি অন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। এর পরপরই গত দুই দিনে ২৬ জন ছাত্রীকে তাঁদের অভিভাবকেরা বাড়িতে নিয়ে যান।

একাধিক অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, অভিযোগের পর থেকে তাঁরা সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। অভিভাবক আল মামুন, আবুল হোসেন এবং স্থানীয় বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম ও কাইয়ুমসহ কয়েকজন অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষী প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুর রব বলেন, অভিযোগের পর মাদ্রাসায় স্থানীয়ভাবে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মতামত উঠে আসে। বৈঠকের পর বেশ কয়েকজন অভিভাবক তাঁদের সন্তানদের মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিয়ে যান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মুহতামিম হাফেজ আবু সাঈদ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, “এটি আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। মাদ্রাসাবিরোধী একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে এমন অভিযোগ ছড়াচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, ৫১ জন ছাত্রীর মধ্যে ২৬ জন চলে গেছে। তবে তিনি দাবি করেন, অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই এবং মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews