
নিজস্ব প্রতিনিধি।
সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী উপজেলা শ্যামনগরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. খালেদুর রহমান। তাঁর যোগদানের পর থেকে এলাকায় চুরি, ডাকাতি ও মাদক কারবার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। কর্মদক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ইতিমধ্যে সাতক্ষীরা জেলার ‘শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ’ হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে অপরাধ দমনে বিশেষ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছেন ওসি খালেদুর রহমান। সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ঈদ কাটাতে পারে এবং ঘরমুখো যাত্রীরা ছিনতাই বা হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
বাস টার্মিনাল, বাজার এলাকা এবং জনসমাগমপূর্ণ স্থানে পুলিশের সতর্ক অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় বাস টার্মিনাল ও চায়ের দোকানগুলোতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওসির সরাসরি তদারকির কারণে অপরাধীরা এখন তটস্থ। গভীর রাত পর্যন্ত পুলিশের এই টহল কার্যক্রম সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা বোধ তৈরি করেছে।
সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় শ্যামনগর মাদক ও চোরাচালানের জন্য একটি সংবেদনশীল অঞ্চল। যোগদানের পর থেকেই ওসি খালেদুর রহমান মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছেন। স্থানীয় শ্রমজীবী মানুষরা জানান, বর্তমান ওসি অত্যন্ত কর্মঠ এবং নিষ্ঠাবান। তিনি নিজে রাতভর ডিউটি করে অপরাধ দমনে নেতৃত্ব দেন। তাঁর এই কঠোর অবস্থানের ফলে সীমান্তবর্তী মাদক সিন্ডিকেটগুলো ভেঙে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ওসি খালেদুর রহমান কেবল একজন পুলিশ কর্মকর্তা নন, বরং জনগণের সেবক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর জনবান্ধব আচরণের কারণে সাধারণ মানুষ এখন সহজেই পুলিশের সহযোগিতা পাচ্ছে।
শ্যামনগর থানার পুলিশ সদস্যরা জানান, ওসির নির্দেশনায় তাঁরা সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় রাত-দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। পবিত্র ঈদুল আজহায় সবাই যাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে সুখ ও শান্তিতে কাটাতে পারে, সেটিই এখন এই থানার পুলিশের প্রধান লক্ষ্য।