রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকের বিরুদ্ধে যখন উত্তাল সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ, তখনই ভাইরাল স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কথিত ইয়াবা সেবনের ভিডিও! জনমনে তীব্র ক্ষোভ শ্যামনগরে মা’য়ের দাঁত ভাঙলো ছেলে শ্যামনগরে যৌতুকলোভী আজিজুল হক আকাশ গ্রেফতার ডুমুরিয়ার খর্ণিয়া ইউপি নির্বাচন: দলীয় প্রতীক না থাকায় বাড়ছে প্রার্থীর ভিড়, মাঠে নামছেন এক ডজন সম্ভাব্য প্রার্থী ফরিদপুরে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সাথে বিএমডিএ চেয়ারম্যানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত টেকনাফে ইউএনওর উপস্থিতিতে এনজিও কার্যক্রম ও সীমান্ত উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময়, ঝিমংখালী বিজিবি ক্যাম্প পরিদর্শন ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক রোহিঙ্গা আসামি আইয়ুব আলী র‍্যাব-১৫-এর হাতে গ্রেপ্তার উন্নয়নের সুবিধা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না”, অভয়নগরে এডিবি’র উন্নয়ন বরাদ্দ বিতরণ অনুষ্ঠানে এমপি গোলাম রসুল চুকনগরে মাদক, অনলাইন জুয়া ও দুর্নীতি নির্মূলের দাবিতে মানববন্ধন ফরিদপুরে আলী আছগার এমপির অর্থায়নে কৃষকদের মাঝে স্প্রে মেশিন ও শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

পাটকেলঘাটায় ফারুক হত্যা মামলায় ব্যবসায়ী শাহীনকে জড়ানোর অপচেষ্টা ভিত্তিহীন সংবাদের প্রতিবাদ ও সত্য উদ্ঘাটন।

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫৪ বার পড়া হয়েছে

আবুজার গাজী, খুলনা বিভাগ প্রধান।

 

সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানা এলাকার চাঞ্চল্যকর ফারুক হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে একটি কুচক্রী মহল ও কতিপয় অসাধু সংবাদকর্মী কর্তৃক সফল ব্যবসায়ী মীর শাহীনকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়ে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীনভাবে তাঁর নাম এই ঘটনায় জড়ানো হচ্ছে।

 

 

ব্যবসায়ী শাহীন ও স্থানীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সম্প্রতি কতিপয় ব্যক্তি নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শাহীনের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন। শাহীন এই অনৈতিক দাবিতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করা হয়। এর পরপরই ‘দৈনিক যশোর বার্তা’ ও ‘দৈনিক সোনার বাংলাদেশ’ নামক অনলাইন পোর্টালে কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই ফারুক হত্যা মামলায় শাহীনের সম্পৃক্ততা নিয়ে কাল্পনিক সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

 

ফারুক হত্যা মামলাটি দুই-তিন বছর আগের একটি ঘটনা, যার তদন্ত শেষে ইতিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে। পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, উক্ত মামলার চার্জশিটে শাহীনের কোনো নাম নেই এবং ঘটনার সাথে তাঁর দূরতম কোনো সম্পর্কও পাওয়া যায়নি। একটি নিস্পত্তিপ্রায় ও তদন্ত শেষ হওয়া বিষয় নিয়ে নতুন করে বিভ্রান্তি ছড়ানোকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও আইন পরিপন্থী বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা

 

এ বিষয়ে ব্যবসায়ী মীর শাহীন সাংবাদিকদের বলেন:

“আমি একজন সৎ ও করদাতা ব্যবসায়ী। আমার প্রতিষ্ঠানে বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে, যারা সম্মানের সাথে জীবিকা নির্বাহ করছে। একটি অসাধু চক্র আমার ব্যবসায়িক ও সামাজিক সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে এবং চাঁদা না পেয়ে আমার নামে কুৎসা রটাচ্ছে। যে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া চলছে এবং যেখানে আমার নাম নেই, সেখানে আমাকে জড়ানো স্পষ্টত মানহানিকর। আমি এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

 

রাজেন্দ্রপুর ও সংলগ্ন এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, শাহীন এলাকায় একজন পরোপকারী ও স্বচ্ছ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। সরকারের সকল নিয়ম মেনে এবং নিয়মিত আয়কর প্রদান করে তিনি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। এলাকাবাসী এই মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষী ‘হলুদ সাংবাদিকদের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

 

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। ব্যবসায়ী শাহীন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনকারী পোর্টালগুলোর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews