বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খুলনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন সরকার ওমর ফারুক দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  কলারোয়ায় ৩৭৬ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূর ও ২৫০০ কৃষক পরিবারের ভাগ্যবদলে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন  শ্যামনগরে নামজারি ও জমি ইজারায় দুর্নীতি নায়েব গগন ও ঝাড়ুদার জিতেনের সিন্ডিকেটে জিম্মি বুড়িগোয়ালিনী বেতাগীর কাজীরহাট বাজার দখল, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনায় বদলাচ্ছে না বাজারের চিত্র   সাতক্ষীরায় প্রকাশ্যে ক্ষতিকারক ‘ডেনড্রাইট’ আঠা সেবন ঝুঁকিতে কিশোর ও যুবসমাজ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তালার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের শ্যামনগরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু পুলিশি শৃঙ্কলা ও নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগ বকশী হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার দাবি সাতক্ষীরায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় বৃক্ষমেলা ও বৃক্ষরোপণ অভিযানের সমাপ্তি

‎সমাজসেবার লাইসেন্সে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ ‎

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি

‎যশোরের অভয়নগর উপজেলায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের লাইসেন্স ব্যবহার করে একাধিক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে এমন অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠান মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)-এর অনুমোদন ছাড়াই ঋণ বিতরণ কার্যক্রম চালাচ্ছে, যা প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

‎খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো সমাজকল্যাণ, প্রশিক্ষণ, পুনর্বাসন ও দারিদ্র্য বিমোচনমূলক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি পায়। তবে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ, সুদ নির্ধারণ ও কিস্তি আদায়ের জন্য আলাদাভাবে এমআরএ-এর লাইসেন্স গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।

‎এ বিষয়ে আইন বিশেষজ্ঞরা জানান, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি আইন, ২০০৬ অনুযায়ী এমআরএ-এর অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে না। সমাজসেবার লাইসেন্স দেখিয়ে ঋণ কার্যক্রম চালানো হলে তা বেআইনি হিসেবে গণ্য হবে।

‎স্থানীয় একাধিক মানুষের অভিযোগ, অনুমোদনহীন এসব প্রতিষ্ঠানে সুদের হার তুলনামূলকভাবে বেশি এবং কিস্তি আদায়ের প্রক্রিয়াও চাপ প্রয়োগমূলক। অনেক ক্ষেত্রে কোনো লিখিত চুক্তি ছাড়াই ঋণ প্রদান ও আদায় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

‎এ বিষয়ে অভয়নগরের এক সমাজসেবা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধন মানেই ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনার অনুমতি নয়। কেউ যদি ঋণ কার্যক্রম চালাতে চায়, তাহলে অবশ্যই এমআরএ থেকে লাইসেন্স নিতে হবে।”

‎অন্যদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করে অননুমোদিত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বন্ধ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

‎বিশেষজ্ঞদের মতে, যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ছাড়া ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে। পাশাপাশি সরকার এসব অবৈধ কার্যক্রম থেকে কোনো রাজস্বও পাচ্ছে না।

‎এ বিষয়ে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

‎এদিকে অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দীন দিপু বলেন, “আমার জানা মতে সমাজসেবার লাইসেন্স দিয়ে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করা যায় না। তবে এ বিষয়ে সমাজসেবা অফিসই সঠিকভাবে বলতে পারবে আইনে কী ধরনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।”

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews