
নজরুল ইসলাম খোকন,টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং সীমান্ত এলাকায় আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছেন চিহ্নিত ইয়াবা কারবারী খলিল। স্থানীয় সূত্রের দাবি, মাদক মামলার আসামি এবং সম্প্রতি কারাভোগ শেষে মুক্তি পাওয়া খলিল বর্তমানে নতুন একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলে সীমান্তজুড়ে ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মাদক সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অভিযোগে আলোচিত এই খলিলের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা থাকলেও রহস্যজনক কারণে তিনি বারবার আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে আসছেন। সর্বশেষ কারামুক্ত হওয়ার পরও তিনি প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন এবং আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা জানান, খলিলের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা নতুন সিন্ডিকেট বর্তমানে হোয়াইক্যং সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবা পাচারের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সংঘবদ্ধ এই চক্রটি সীমান্তের নানা রুট ব্যবহার করে নিয়মিত ইয়াবা দেশে প্রবেশ করাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে এলাকার যুবসমাজের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, “খলিল দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। জেল থেকে বের হওয়ার পর সে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তার নেতৃত্বে নতুন সিন্ডিকেট সীমান্তের ইয়াবা বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা রয়েছে।”
স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, একজন চিহ্নিত মাদক কারবারী, যার বিরুদ্ধে মাদক মামলা রয়েছে এবং যিনি সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন, তিনি কীভাবে আবারও প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছেন? এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর মতে, সীমান্ত এলাকায় মাদক নির্মূলে চলমান অভিযানের পাশাপাশি খলিলের নেতৃত্বাধীন কথিত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা জরুরি। অন্যথায় সীমান্ত এলাকায় ইয়াবা পাচার ও মাদক ব্যবসা আরও বিস্তার লাভ করতে পারে।