বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খুলনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন সরকার ওমর ফারুক দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  কলারোয়ায় ৩৭৬ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূর ও ২৫০০ কৃষক পরিবারের ভাগ্যবদলে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন  শ্যামনগরে নামজারি ও জমি ইজারায় দুর্নীতি নায়েব গগন ও ঝাড়ুদার জিতেনের সিন্ডিকেটে জিম্মি বুড়িগোয়ালিনী বেতাগীর কাজীরহাট বাজার দখল, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনায় বদলাচ্ছে না বাজারের চিত্র   সাতক্ষীরায় প্রকাশ্যে ক্ষতিকারক ‘ডেনড্রাইট’ আঠা সেবন ঝুঁকিতে কিশোর ও যুবসমাজ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তালার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের শ্যামনগরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু পুলিশি শৃঙ্কলা ও নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগ বকশী হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার দাবি সাতক্ষীরায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় বৃক্ষমেলা ও বৃক্ষরোপণ অভিযানের সমাপ্তি

সুন্দরবনে বনদস্যু দমনে ৫ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান নেতৃত্বে প্রশাসন

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,

 

সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলা বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ পশ্চিম সুন্দরবনে বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য নির্মূল ও অপহৃত বনজীবীদের উদ্ধারে বড় ধরনের যৌথ অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। বুধবার সকাল থেকে বিজিবি, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, পুলিশ ও বন বিভাগের সমন্বয়ে এই সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়।

অভিযানটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাশেদ হোসাইন।

 

সম্প্রতি সুন্দরবনের অভ্যন্তরে বনদস্যুদের তৎপরতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে

গত কয়েক দিনে বেশ কয়েকজন বনজীবীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করেছে দস্যুরা।

দস্যুদের গুলিতে একজন বনজীবী গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বনজীবীদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

 

বুধবার সকাল থেকেই যৌথ বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবনের গহীন অরণ্য এবং বিভিন্ন ছোট-বড় খালে তল্লাশি শুরু করেন। দস্যুদের সম্ভাব্য আস্তানাগুলো চিহ্নিত করে অভিযান চালানো হচ্ছে।

অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাশেদ হোসাইন বলেন

“সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। সাধারণ বনজীবীরা যাতে নির্বিঘ্নে তাদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন, সেজন্য বনদস্যু পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

 

যৌথ বাহিনীর এই তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় মৎস্যজীবী ও বাওয়ালীরা। তবে দস্যুদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত বনের গভীরে প্রবেশে এখনো কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করছেন তারা। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বনের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নিরাপত্তা চৌকি ও টহল বাড়ানো হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews