রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রকল্প বাস্তবায়নে কোটি  টাকা আত্মসাতের অভিযোগ গাজীপুরে প্রাপ্তি পরিচিতি জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় ভাঙ্গুড়ার আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শনে এসিল্যান্ড, বিক্রি হওয়া ঘরের বরাদ্দ বাতিলের ঘোষণা কালীগঞ্জে সাংবাদিককে অপহরণ ও নির্মম নির্যাতন জোরপূর্বক ‘স্বীকারোক্তি’ ভিডিও ধারণ, আইনের আওতায় আনার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে জনতা কক্সবাজার সীমান্তে ইয়াবা পাচার ঠেকাতে বিজিবির ড্রোন ও অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি টেকনাফে কোস্ট গার্ডের মাদকবিরোধী অভিযান: ৪০ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক শ্যামনগরে কনস্টেবল মেহেদীর বিরুদ্ধে লাগাতার মাদক সেবনের অভিযোগ দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোরালো দাবি, ডোপ টেস্টের আহ্বান সাতক্ষীরার নারী জেলা প্রশাসককে নিয়ে সংসদে কটূক্তির প্রতিবাদে তালায় মানববন্ধন মাদকের বিরুদ্ধে যখন উত্তাল সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ, তখনই ভাইরাল স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কথিত ইয়াবা সেবনের ভিডিও! জনমনে তীব্র ক্ষোভ শ্যামনগরে মা’য়ের দাঁত ভাঙলো ছেলে

সাতক্ষীরা সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সিসিটিভি ফুটেজে মিলেছে ভিন্ন তথ্য

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৩৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,

 

সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রার অমায়িক বাবুর বিরুদ্ধে ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবির যে অভিযোগ ল্যান্ড ডেভেলপার এস এম জুলফিকার আলী জিন্নাহ তুলেছেন, তার কোনো সত্যতা মেলেনি বলে জানা গেছে। বরং জমি দাতা একজন ভারতীয় নাগরিক হওয়ায় আইনি জটিলতা এড়াতে দলিল রেজিস্ট্রি না করায় সাব-রেজিস্ট্রারকে ফাঁসাতে এই ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ১৬ নভেম্বর জনৈক মোকছেদুর রশিদের নামে একটি পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি দলিল রেজিস্ট্রি করতে আসেন এস এম জুলফিকার আলী জিন্নাহ। তবে অনলাইন ভেরিফিকেশন ও তথ্য অনুসন্ধানে সাব-রেজিস্ট্রার অমায়িক বাবু জানতে পারেন যে, জমির মালিক মোকছেদুর রশিদ বাংলাদেশের নাগরিক নন, বরং তিনি ভারতের বসিরহাট গোবিন্দপুর কারিগর পাড়ার বাসিন্দা। বিদেশি নাগরিকের জমি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বিশেষ সরকারি অনুমতির প্রয়োজন হয়, যা ওই সময় ছিল না। ফলে নিয়ম অনুযায়ী সাব-রেজিস্ট্রার দলিলটি সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানান।

 

দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্তের হাতে আসা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের ১৫ মিনিটের সিসিটিভি ফুটেজ ও কথোপকথনের রেকর্ডে দেখা গেছে, সেখানে ঘুষ লেনদেন বা দাবির কোনো বিষয় ছিল না। বরং সাব-রেজিস্ট্রার দলিলে থাকা আইনি ত্রুটিগুলো বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন। অভিযোগকারী জিন্নাহর দাবিকৃত অভিযোগের কোনো প্রমাণ সিসিটিভি ফুটেজে মেলেনি।

 

নিবন্ধন অধিদপ্তরের নির্দেশে গত ২৩ ডিসেম্বর যশোর জেলা রেজিস্ট্রার আবু তালেব তদন্তে আসলেও এখন পর্যন্ত ঘুষ দাবির কোনো সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযোগটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং একজন সরকারি কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাব-রেজিস্ট্রার অমায়িক বাবু জানান

“আমি আইন মেনে কাজ করি। দাতা ভারতীয় নাগরিক হওয়ায় আইনি জটিলতা ছিল, তাই আমি দলিলটি রেজিস্ট্রি করতে পারিনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা আমার ওপর মিথ্যা অভিযোগ চাপিয়ে দিচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজে সব স্পষ্ট আছে।”

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, একটি অসাধু চক্র সাব-রেজিস্ট্রারকে চাপে ফেলে অবৈধ কাজ করিয়ে নিতে ব্যর্থ হয়ে এই মিথ্যা সংবাদ ও অভিযোগের আশ্রয় নিয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে প্রকৃত সত্য তুলে ধরতেই এই প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews