বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খুলনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন সরকার ওমর ফারুক দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  কলারোয়ায় ৩৭৬ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূর ও ২৫০০ কৃষক পরিবারের ভাগ্যবদলে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন  শ্যামনগরে নামজারি ও জমি ইজারায় দুর্নীতি নায়েব গগন ও ঝাড়ুদার জিতেনের সিন্ডিকেটে জিম্মি বুড়িগোয়ালিনী বেতাগীর কাজীরহাট বাজার দখল, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনায় বদলাচ্ছে না বাজারের চিত্র   সাতক্ষীরায় প্রকাশ্যে ক্ষতিকারক ‘ডেনড্রাইট’ আঠা সেবন ঝুঁকিতে কিশোর ও যুবসমাজ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তালার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের শ্যামনগরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু পুলিশি শৃঙ্কলা ও নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগ বকশী হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার দাবি সাতক্ষীরায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় বৃক্ষমেলা ও বৃক্ষরোপণ অভিযানের সমাপ্তি

প্রকাশ্যে ভূল্লী নদীর পাড় কেটে বিক্রি, হুমকির মুখে আবাদি জমি

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৮৬ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূল্লী নদীর পাড়ের মাটি অবৈধভাবে কেটে বিক্রি করতেছে প্রভাবশালীরা। এতে চরম হুমকির মুখে পড়েছে আশপাশের আবাদি জমি ও ভূল্লী বাঁধ সেতু। এসব মাটি রাস্তার কাজে বিক্রি করা হচ্ছে চড়া দামে।

রবিবার দুপুরে সরেজমিন দেখা যায়, ভূল্লী নদী বাঁধ সেতু থেকে ১০০-১৫০ গজ দূরে নদীপাড়ের মাটি কেটে তিনটি ট্রাক্টরে ভর্তি করা হচ্ছে।

 

তড়িঘড়ি করে মাটি গুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নদীর পূর্ব পাশে খোলা মাঠে।

সেখানে মাটির স্তুপ করে বিক্রি করা হচ্ছে রাস্তার কাজেসহ বিভিন্ন স্থাপনার কাজের জন্য।

 

এ সময় ট্রাক্টর চালক শহিদুল বলেন, নূরে আলম নাম এক ছেলের নির্দেশে মাটি কাটা হচ্ছে। এসব মাটি রাস্তার যে কাজ চলতেছে সেখানে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে ট্রাক্টর চালক শহিদুল বলেন এটা আমাদের অন্যায় হয়েছে।

 

বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে (২০১০) বলা হয়েছে, বিক্রির উদ্দেশ্যে বালু বা মাটি উত্তোলনের ফলে কোনো নদীর তীর ভাঙনের শিকার হলে সে ক্ষেত্রে বালু বা মাটি তোলা যাবে না। অন্যদিকে, সেতু, কালভার্ট, বাঁধ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনা অথবা আবাসিক এলাকা থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ।

 

স্থানীয় লোকজন বলেন, ওই স্থানে নদীর পাড় কেটে মাটি তোলা হলে সামান্য বন্যায় বাঁধের সেতু ও আশেপাশের ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়বে। এ ছাড়া আশপাশের আবাদি জমিতে নদীর পানি অনায়াসে ঢুকে ফসল নষ্ট হবে।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, মাটি ভর্তি করে ট্রাক্টরগুলো দিন–রাত কাঁচা রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে রাস্তায় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এখন যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

স্থানীয় এক কৃষক বলেন, ‘নদীর বান্দন (বাঁধা) হওচে নদীর পাড়। সেই পাড় কাটিয়া রাস্তার কাজত বেচাওচে তা–ও কাঁয়ও কিছু কওছে না। আগামীবার বান (বন্যা) হইলে নদীর পানি যায়া জমিত ঢুকপে। তখন আবাদ নষ্ট হয়া যাইবে। হামার কপালোত দুঃখ আছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘নদীর পাড় যারা কাটছে, খোঁজ নিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খবর পাওয়ার সাথে সেখানে এসিল্যান্ডকে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি প্রভাবশালী যেই হোক তাকে খুঁজে বের করতে হবে এবং আইনের আওতায় আনতে হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews