
মোঃ মেহেদী হাসান, সম্পাদক ও প্রকাশক
সরকারি নির্দেশনায় কুষ্টিয়া জেলায় বদলি হওয়ার পর দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা মোঃ খালেদুর রহমান। এর আগে তিনি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
শ্যামনগর থানায় কর্মরত থাকাকালীন তাঁর সততা, দক্ষতা এবং আপসহীন মনোভাবের কারণে তিনি স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে এক অনুকরণীয় স্থান তৈরি করে নিয়েছেন। তাঁর এই বিদায়ের পর শ্যামনগরের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নাগরিকরা তাঁকে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছেন।
মোঃ খালেদুর রহমান কর্মক্ষেত্রে একজন আপসহীন ও সৎ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে মাদক পাচার এবং চোরাচালান রোধে তিনি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেন। তাঁর সুনির্দিষ্ট ও কঠোর অভিযানের ফলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি ঘটে। পেশাগত কর্মদক্ষতা ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত থাকাকালীন তিনি ‘শ্রেষ্ঠ চৌকস অফিসার’ হিসেবে পুরস্কারে ভূষিত হন।
স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও সুধীমহল আশা প্রকাশ করেছেন, সাতক্ষীরার মতো কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানাতেও তিনি তাঁর সততা ও মেধার স্বাক্ষর রাখবেন এবং সেখানেও শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা বয়ে আনবেন।
দেশের সকল স্তরের মানুষের জনপ্রিয় ও সত্যনিষ্ঠ গণমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত এবং ডিএসডি টিভি-এর পক্ষ থেকে ওসি মোঃ খালেদুর রহমানকে নতুন কর্মস্থলে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
এক অভিনন্দন বার্তায় দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ মেহেদী হাসান বলেন,
“মোঃ খালেদুর রহমান শুধু একজন দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তাই নন, বরং তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য অত্যন্ত সহযোগিতাপূর্ণ ও বন্ধুভাবাপন্ন একজন মানুষ ছিলেন। প্রতিটি সাধারণ মানুষের সমস্যা তিনি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে শুনতেন এবং তাৎক্ষণিক আইনি প্রতিকার দিতেন। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানা এলাকা সম্পূর্ণ মাদক ও অপরাধমুক্ত একটি আদর্শ অঞ্চলে পরিণত হবে। তাঁর নতুন কর্মজীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।”
দৌলতপুর থানায় তাঁর এই যোগদানের পর স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যেও একটি স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। অপরাধ দমনে এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পুলিশের সেবা পৌঁছে দিতে তিনি বরাবরের মতোই বদ্ধপরিকর থাকবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।