
নজরুল ইসলাম খোকন,টেকনাফ, কক্সবাজার
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নাফ নদীসংলগ্ন সীমান্তবর্তী দ্বীপ ও চরাঞ্চলে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মায়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তের দুর্গম এলাকাকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র গোষ্ঠীর চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলে, কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে দাবি তাদের।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বিশেষ করে রাতের বেলায় সীমান্তবর্তী দ্বীপ ও চরাঞ্চলে অজ্ঞাত অস্ত্রধারী ব্যক্তিদের চলাচল লক্ষ্য করা যায়। অনেক সময় গোলাগুলির শব্দও শোনা যায় বলে তারা দাবি করেন। এমন পরিস্থিতিতে নারী, শিশু ও বয়স্কসহ পুরো এলাকার মানুষ আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সন্ধ্যার পর জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘরের বাইরে বের হতে সাহস পান না।
এলাকার জেলেদের অভিযোগ, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে আগের মতো নাফ নদীতে মাছ ধরতে যেতে পারছেন না তারা। একইভাবে সীমান্তসংলগ্ন কৃষিজমিতে কাজ করতেও ভয় পাচ্ছেন অনেক কৃষক। ফলে বহু পরিবারের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে বলে জানান তারা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তের দুর্গম দ্বীপ ও চরাঞ্চল বিভিন্ন অপরাধী চক্র ও অস্ত্রধারী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এ কারণে সীমান্তজুড়ে সব সময় উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষ নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।
এ অবস্থায় সীমান্তবাসী নাফ নদীসংলগ্ন এলাকায় বিজিবি, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল ও নজরদারি আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং সীমান্তে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে সংযোজন করা হবে।
সম্পাদকের নোট:
এই প্রতিবেদনে উল্লেখিত অস্ত্রধারীদের তৎপরতা, গোলাগুলির শব্দ এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ও দাবির ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে