বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজৈরে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা খুলনা মহানগরীতে জলবায়ু স্থানচ্যুতি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র হস্তান্তর আন্তর্জাতিক যুব দিবসে তালায় জামায়াতের যুব বিভাগের সাইকেল র‍্যালি খুলনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন সরকার ওমর ফারুক দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  কলারোয়ায় ৩৭৬ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূর ও ২৫০০ কৃষক পরিবারের ভাগ্যবদলে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন  শ্যামনগরে নামজারি ও জমি ইজারায় দুর্নীতি নায়েব গগন ও ঝাড়ুদার জিতেনের সিন্ডিকেটে জিম্মি বুড়িগোয়ালিনী বেতাগীর কাজীরহাট বাজার দখল, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনায় বদলাচ্ছে না বাজারের চিত্র   সাতক্ষীরায় প্রকাশ্যে ক্ষতিকারক ‘ডেনড্রাইট’ আঠা সেবন ঝুঁকিতে কিশোর ও যুবসমাজ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তালার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের

ঝিকরগাছায় বিএনপি নেতার চাঁদা দাবি ও ব্যবসায়ীকে মারধর করে তুলে নেওয়ার ঘটনায়“প্রশাসন ও দলীয় পদক্ষেপের অপেক্ষায় এলাকাবাসী!

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মেহেদী হাসান, সম্পাদক ও প্রকাশক

 

যশোরের ঝিকরগাছার বাঁকড়া বাজারের ব্যবসায়ী ও বিকাশ সার্ভিস পয়েন্টের এজেন্ট মফিজুর রহমানের কাছে বিএনপি নেতা জামিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদার টাকা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর ও জোর পূর্বক উঠিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এই ঘটনাটি গত ১১ এপ্রিল সন্ধ্যায় ওই বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায়ীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঘটেছে বলে জানা যায়।

ইতিমধ্যে ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশের পর সারা দেশে এবং স্থানীয়দের মাঝে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে ।

 

ঘটনার প্রতিকার দাবি করে ববসায়ী মফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন। ভুক্তভোগী মফিজুর রহমান বাঁকড়া বাজারের একটি লাইব্রেরি ও বিকাশ এজেন্ট (কাস্টমার কেয়ার) প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী।

লিখিত অভিযোগে মফিজুর রহমান উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে তিনি বাকড়া বাজারে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।

ঘটনার দিন সন্ধায় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাকড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামির হোসেনের নেতৃত্বে একদল লোক প্রথমে হামলা চালায়।

অভিযোগে বলা হয়, কথিত যুবদলের নামধারী ইদ্রিস আলী, জহিরুল ইসলাম, কালা সাইদ ও রাহাত হোসেন সহ কয়েকজন মিলে দোকানে ভাংচুর ও এলোপাতাড়ি হামলা চালানো হয়।

পরে ব্যবসায়ীকে মারধর করে টেনে-হিচড়ে নিয়ে গিয়ে পার্টি অফিসে আটক রেখে বেদম মারপিট করা হয়। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্য ও প্রশাসনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন সময়ে ওই নেতা তার কাছ থেকে বিভিন্ন ভাবে চাঁদা আদায় করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন মফিজুর রহমান।

তিনি দাবি করেন, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ তার দোকানে সংরক্ষিত রয়েছে।

তিনি আরো বলেন ঘটনার পরদিন স্থানীয় পল্ট্রি শাহিন নামে একজন আমার ছেলে আসিফ মাহমুদ অনিককে ডেকে নিয়ে খুন করার হুমকি প্রদান করে।

এমতবস্থায় বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহিনতায় ভুগছি।

ঘটার প্রতিকারে ইতিমধ্যে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন বলেও জানান ভুক্তভোগী মফিজুর রহমান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক দায়েত্বে থাকা এক নেতা সাংবাদিকদের জানায়, জামির হোসেনের বিরুদ্ধে পূর্বে একাধিক অভিযোগ রয়েছে, দলের পক্ষ থেকে তাকে সতর্ক করা হলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে সে এমন নেককারজনক জনক কাজে ঘটনা ঘটিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে বিএনপির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে কথা বার্থা হয়েছে।

আশাকরি অভিযোগের বিষয়টি প্রমাণিত হলে দল তার বিরুদ্ধে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তবে গোপন সূত্রে জানা যায়,

ঘটনার পর থেকে প্রথমে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবিন্দের সহয়তায় অভিযুক্ত বিএনপি নেতা জামির হোসেন একাধিক বার ঘটানাটি আপোষ মিমাংসা করার চেষ্টা চালিয়ে লাভ না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে আইনি ও দলিও পদক্ষেপ না নিতে

ইতিমধ্যে উপজেলা ও জেলা নেতাদের মাধ্যমে সমযতা করতে ব্যপক তদবির বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে বলে সূত্রটি দাবি করেন।

এমতবস্থায় একজন নেতা দলিও শৃঙ্খলা বঙ্গ ও দেশের আইন অমান্য করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পার পেয়ে যেতে পারে কিনা এটাই জনমনের প্রশ্ন হয়ে দাড়িছে এখন।

ঘটনার বিষয়ে জেলা বিএনপির

সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন সাংবাদিকের জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা বঙ্গে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে কাউকেই ছাড় দেওয়া হয়নি এখন পর্যন্ত, বাকড়া বাজারের সেই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, যা তদন্তের জন্যে উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদকে দায়িত্ব দিয়েছি, তদন্ত শেষে দল থেকে যথাযত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত প্রদান করেন।

এদিকে গনমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, উঠিয়ে নিয়ে আসার বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে অভিযুক্ত বাঁকড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামির হোসেন গমমাধ্যমকে জানান, মফিজুর রহমান বিকাশ ব্যবসায়ের আড়ালে একজন হুন্ডি ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে হ্যাকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের বিকাশের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। আমি নিজেও একজন ভুক্তভোগী।

মফিজের অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তাকে ধরে আনা হয়েছিল। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে বিষয়টির সমাধান হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

এদিকে থানায় অভিযোগের বিষয়ে ঝিকরগাছা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনার তদন্তে কাজ করছে পুলিশ।

তদন্ত শেষে পূর্নাঙ্গ ভাবে এবিষয়ে বক্তব্য দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews