মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাটে উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এমপি অ্যাড. আরিফা সুলতানা রুমার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ‘রেস্পনসিভ গ্রান্ট বাংলাদেশ প্রজেক্ট’ উদ্বোধন কালিগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজন নারীকে গণপিটুনিতে হত্যা কালকিনিতে শিক্ষক হত্যা চেষ্টার প্রধান আসামী মিলনকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার  যুগিখালী ইউনিয়নে একটু বৃষ্টিতেই পানিতে নিমজ্জিত ৩নং পাইকপাড়া ওয়ার্ডের একমাত্র রাস্তা, দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর তালায় পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস সেবা উদ্বোধন, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কালিয়াকৈর একটি বিল থেকে এক অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ঘুষ বাণিজ্যসহ বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ  প্রতিষ্ঠান প্রধাণ ‍হুরার বিরুদ্ধে মানছেনা নিয়ম নীতি অতিরিক্ত দায়িত্বেও স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন ফুলবাড়ী উপজেলা প্রকৌশলী মো. মামুনুর রহমান

উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাটে উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আব্দুল আজিজ মিয়া  কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

 

কুড়িগ্রামের উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাট উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী। পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক, সেতু, কালভার্ট, বাজার সংযোগ সড়কসহ চলমান অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

 

এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত নকশা ও মানদণ্ড অনুযায়ী বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, নির্মাণসামগ্রীর গুণগত মান, কাজের অগ্রগতি এবং নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করা হচ্ছে কি না—তা যাচাই করা।

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, জেলা সদর থেকে উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাট উপজেলার যোগাযোগব্যবস্থা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, কৃষক ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জরুরি চিকিৎসাসেবা, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও এসব সড়ক, সেতু ও কালভার্টের ওপর নির্ভরশীলতা অনেক বেশি।

 

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, “সরকার আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করছি। জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত প্রতিটি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করছি। কোনো ধরনের অনিয়ম বা নিম্নমানের কাজের সুযোগ নেই। যত কষ্ট বা চ্যালেঞ্জই থাকুক, উন্নয়নের কাজ সরেজমিনে তদারকি অব্যাহত থাকবে।”

 

তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে প্রকল্পের মান বজায় থাকে এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নের ফলে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত, স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে। তবে সীমান্ত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও নতুন সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানান তারা।

 

উন্নয়ন সংশ্লিষ্টদের মতে, মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও কঠোর তদারকির মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং নির্মাণকাজের গুণগত মান আরও নিশ্চিত হবে। এতে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল দ্রুত সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews