
বিশেষ প্রতিনিধি
অভয়নগর উপজেলার আলোচিত ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের আটকের ঘটনায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চৌকস পুলিশের এস আই বিনয় কৃষ্ণ পাল ব্যবসায়ী সহ সধারণ মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন। মামলার অগ্রগতি এবং দ্রুত আসামি আটকের ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলসহ সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
জানা গেছে, ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান গত ৬ মে সন্ধায় তার নির্মানাধীন বহুতল ভবন আনিস ট্রেড ভ্যালির সমনে একদল দুষ্কৃতকারীর হাতে নির্মমভাবে হত্যার সিকার হন। মামলাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ঘটনার পর থেকেই যশোর জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার ও সহকারি পুলিশ সুপার (ক্রাইম) এর দিকনির্দেশনা এবং অভয়নগর থানার ওসি তদন্ত জাহিদুর রহমান এর সক্রিয় নজরদারির ভূমিকা পালনের ফলে দূরত্ব আসামিদের আটক করতে সক্ষম হয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিনয় কৃষ্ণ পাল। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১০ মে চট্রগ্রম থেকে হত্যা মামলার সন্দেহ ভাজন ব্যাক্তি প্রেমবাগ এলাকার মনির কে আটক করে। ওই মামলার গুরুত্বপূর্ণ এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি শাহ্ মাহমুদ কে ১৮ মে ভোররাতে যশোর শহরের আর এন রোডের একটি বাসা থেকে যশোর ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে। একইদিন সন্ধায় ২নং এজাহাভুক্ত আসামী নাসির কে শেরপুর সদর থেকে র্যাবের সহযোগিতা আটক করে। এনিয়ে মামলার মোট তিন জন আসামীকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, একটি স্পর্শকাতর হত্যা মামলার আসামিদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা পুলিশের পেশাদারিত্বের পরিচয় বহন করে। তারা তদন্ত কর্মকর্তা এসআই বিনয় কৃষ্ণ পালের আন্তরিকতা, দক্ষতা ও সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং তাকে ধন্যবাদ জানান।
ব্যবসায়ী মহলের কয়েকজন প্রতিনিধি বলেন, এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিনয় কৃষ্ণ পাল অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে মামলাটি তদন্ত করছেন। তার এমন তৎপরতায় আমরা আশাবাদী, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হবে এবং সকল অপরাধী আইনের আওতায় আসবে।
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।