
বিশেষ প্রতিনিধি
সুন্দরবনের বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ সক্রিয় সদস্য কোস্ট গার্ডের নিকট ৯জুলাই বৃহস্পতিবার আত্মসমর্পণ করেছেন। কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাববির আলম সুজন প্রেস বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে এ তথ্য জানান। জাহাঙ্গীর বাহিরে সদস্যরা হলো বাগেরহাট জেলার মংলা থানার আলামিন হোসেন (৪০), সাতক্ষীরা জেলার তালা থানার তৈবুর রহমান (২৪), ও খুলনা জেলা কয়রা থানার মনিরুজ্জামান মামুন (২০), এ সময় তাদের কাছে থাকা ২টি দেশীয় একনালা বন্দুক,১টি দেশিয পাইপ গান,৪০ রাউন্ড তাজা কাতুজ ও ১টি ওয়াকিটকি কোস্ট গার্ডের কাছে জমা দেন। এ সময় ১ জিম্মি জেলে উদ্ধার হয়েছে।
সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও কঠোর অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের দিকনির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় সকল বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং উপকূলীয় অঞ্চলের সাধারণ জেলে, বাওয়ালি ও বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ধারাবাহিক ও সফর অভিযানের ফলে সুন্দরবনের সক্রিয় দস্যু বাহিনী বর্তমানে ব্যাপকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়ে। কোস্ট গার্ডের কঠোর নজরদারি গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নিয়মিত অভিযানের ফলে দস্যুরা তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যর্থ হচ্ছে। যার কারণে কুখ্যাত ডাকাত বড় জাহাঙ্গির বাহিনীর ৩ জন সক্রিয় সদস্য দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্থন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বাগেরহাটের শরনখোলা থানাধীন সুন্দরবনের তাম্বুলবুনিয়া ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন কলামুলি খাল এলাকায় ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ জন সদস্য অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কোস্ট গার্ড এর নিকট আত্মসমর্পণ করে।
জব্দকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আত্মসমর্পণকারী ডাকাতদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাসহ পরবর্তী আইনানুগ কার্যব্যবস্থা গ্রহণ এবং উদ্ধারকৃত জেলেকে পরিবারের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে