
তালা, (উপজেলা) প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার তালা উপজেলা তালা সদর ইউনিয়নের জাতপুর বাজারে ইজারাকৃত সরকারী জায়গায় (তফসিল সম্পত্তি এস এ খতিয়ান নম্বর ০১, দাগ নম্বর-১০১৩,১০১৫) ইমারত তৈরি হিড়িক পড়েছে। জন আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে একটি কুচক্রী মহল একসনা বন্দোবস্ত নিয়ে ভূমি ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘন করে পাকা দোকান ঘর তৈরী করা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তালা উপজেলা ভুমি অফিসের(এসিল্যান্ড) দূর্ণীতিবাজদের সহায়তায় অবৈধ ভাবে এই জমি একসনা বন্দোবস্ত নেয়া হয়েছে। এঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এমপি’র সুপারিশ নিয়ে জেলা প্রশাসক, দুর্নীতি দমন কমিশন, সাতক্ষীরা,সহ অন্যান্য দপ্তরে গণ পিটিশন করেছেন।
সরেজমিনে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা “উত্তরণ” ও জেলা পরিষদের অর্থায়নে ব্যবসায়ীদের কাঁচামাল রাখার জন্য ৮ টি অস্থায়ী ঘর নির্মান করে দেয়া হয়। বর্তমানে এই ঘরগুলোতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাঁশের তৈরি জিনিসপত্র রেখে ব্যবসা পরিচালনা করেন। জাতপুর বাজারে মূল হাটের সাথে গরুর হাট সংযুক্ত ছিল। এবং সেখান থেকে খাস আদায় করা হতো। ২০১৫ সালে একশ্রেণীর কুচক্রি মহল হাটের ক্ষতিসাধন করার লক্ষ্যে ঘর/সেট নির্মাণ করার উদ্যোগ নিলে স্থানীয় জনগণের গণপিটিশন এবং বাধার মুখে সেটি থেকে তারা ফিরে আসে।
স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে এক সময় কার জমজমাট হাটটি আজ সাধারণ বাজারের রূপান্তরিত হচ্ছে।যার ফলে বন্দোবস্ত দিলে বাজারটা আরো ছোট হয়ে যাবে। বাজারে থাকবে না কোন উন্মুক্ত জায়গা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরের অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, তালা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কুপরামর্শে,স্বার্থান্বেষী মহাল স্থানীয় দুষ্কৃতিকারী লোকদের সহযোগিতায় ও রাজনৈতিক প্রভাব খাঁটিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে হাসান শেখ, সিহাদ সালেহ, মনিরুজ্জামান মোড়ল, আব্দুল মান্নান সরদার, ইমরান সরদার, আশরাফুল ইসলাম গং সহ অন্যান্যদের সেই জায়গা একসনা বন্দোবস্ত নিয়েছেন। এই ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা হতবাক হয়েছেন এবং এই একসনা বন্দোবস্ত বাতিল করে ব্যবসা প্রসারের স্বার্থে জায়গা উন্মুক্ত করে দেয়ার দাবি জানিয়েছে।
এখানে অবৈধভাবে ঘর এবং শেড তৈরি করা হলে সাধারণ ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনসাধারণের বিরাট ক্ষতির সম্মুখীন হবে। ইটের গাঁথুনি পাকা ঘর গুলো যাতে দ্রুত বন্ধ এবং অপসারণ করে যাতে কাঁচামাল হাট, গরুর হাটে সহ অন্যান্য হাটের জন্য জনস্বার্থে ব্যবহার উপযোগী করার জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জনগণের পক্ষ থেকে কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানানো হয়।