বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজৈরে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা খুলনা মহানগরীতে জলবায়ু স্থানচ্যুতি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র হস্তান্তর আন্তর্জাতিক যুব দিবসে তালায় জামায়াতের যুব বিভাগের সাইকেল র‍্যালি খুলনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন সরকার ওমর ফারুক দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  কলারোয়ায় ৩৭৬ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূর ও ২৫০০ কৃষক পরিবারের ভাগ্যবদলে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন  শ্যামনগরে নামজারি ও জমি ইজারায় দুর্নীতি নায়েব গগন ও ঝাড়ুদার জিতেনের সিন্ডিকেটে জিম্মি বুড়িগোয়ালিনী বেতাগীর কাজীরহাট বাজার দখল, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনায় বদলাচ্ছে না বাজারের চিত্র   সাতক্ষীরায় প্রকাশ্যে ক্ষতিকারক ‘ডেনড্রাইট’ আঠা সেবন ঝুঁকিতে কিশোর ও যুবসমাজ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তালার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের

সাতক্ষীরা সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সিসিটিভি ফুটেজে মিলেছে ভিন্ন তথ্য

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪০৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,

 

সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রার অমায়িক বাবুর বিরুদ্ধে ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবির যে অভিযোগ ল্যান্ড ডেভেলপার এস এম জুলফিকার আলী জিন্নাহ তুলেছেন, তার কোনো সত্যতা মেলেনি বলে জানা গেছে। বরং জমি দাতা একজন ভারতীয় নাগরিক হওয়ায় আইনি জটিলতা এড়াতে দলিল রেজিস্ট্রি না করায় সাব-রেজিস্ট্রারকে ফাঁসাতে এই ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ১৬ নভেম্বর জনৈক মোকছেদুর রশিদের নামে একটি পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি দলিল রেজিস্ট্রি করতে আসেন এস এম জুলফিকার আলী জিন্নাহ। তবে অনলাইন ভেরিফিকেশন ও তথ্য অনুসন্ধানে সাব-রেজিস্ট্রার অমায়িক বাবু জানতে পারেন যে, জমির মালিক মোকছেদুর রশিদ বাংলাদেশের নাগরিক নন, বরং তিনি ভারতের বসিরহাট গোবিন্দপুর কারিগর পাড়ার বাসিন্দা। বিদেশি নাগরিকের জমি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বিশেষ সরকারি অনুমতির প্রয়োজন হয়, যা ওই সময় ছিল না। ফলে নিয়ম অনুযায়ী সাব-রেজিস্ট্রার দলিলটি সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জানান।

 

দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্তের হাতে আসা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের ১৫ মিনিটের সিসিটিভি ফুটেজ ও কথোপকথনের রেকর্ডে দেখা গেছে, সেখানে ঘুষ লেনদেন বা দাবির কোনো বিষয় ছিল না। বরং সাব-রেজিস্ট্রার দলিলে থাকা আইনি ত্রুটিগুলো বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন। অভিযোগকারী জিন্নাহর দাবিকৃত অভিযোগের কোনো প্রমাণ সিসিটিভি ফুটেজে মেলেনি।

 

নিবন্ধন অধিদপ্তরের নির্দেশে গত ২৩ ডিসেম্বর যশোর জেলা রেজিস্ট্রার আবু তালেব তদন্তে আসলেও এখন পর্যন্ত ঘুষ দাবির কোনো সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযোগটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং একজন সরকারি কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাব-রেজিস্ট্রার অমায়িক বাবু জানান

“আমি আইন মেনে কাজ করি। দাতা ভারতীয় নাগরিক হওয়ায় আইনি জটিলতা ছিল, তাই আমি দলিলটি রেজিস্ট্রি করতে পারিনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা আমার ওপর মিথ্যা অভিযোগ চাপিয়ে দিচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজে সব স্পষ্ট আছে।”

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, একটি অসাধু চক্র সাব-রেজিস্ট্রারকে চাপে ফেলে অবৈধ কাজ করিয়ে নিতে ব্যর্থ হয়ে এই মিথ্যা সংবাদ ও অভিযোগের আশ্রয় নিয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে প্রকৃত সত্য তুলে ধরতেই এই প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews