রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্বামীর শারীরিক অক্ষমতা নিয়ে কলহ, মোবাইল দিয়ে মাথায় আঘাতের অভিযোগ,স্বামী হাসপাতালে, কালীগঞ্জ নারী থানায় ভাঙ্গুড়ায় শহীদ মিনারের জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত বিএনপি নেতারা কালিয়াকৈরে শিক্ষার মান উন্নয়নে শ্রেণিকক্ষের পরিবেশসহ সার্বিক শিক্ষার মান পর্যবেক্ষণ করেন ইউএনও  নিখোঁজ মানিকের জন্য অপেক্ষায় ৩ টি শিশু সন্তানসহ তার পরিবার, সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ডুমুরিয়ায় খাল খননে অনিয়ম: সরকারি কোষাগারে ফেরত গেল ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেসিসির ক্রাশ প্রোগ্রাম: ২৫নং ওয়ার্ডে মোবাইল কোর্টে জরিমানা ও মুচলেকা গ্রহণ তালার সাবেক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের মৃত্যু, শেষ বিদায়ে মানুষের ঢল আশাশুনি সদরে এমপি মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ কলারোয়া থানা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানে ৩২,০০০/- হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার পূর্বক বিশেষ ক্ষমতা আইনের ০২ জন আসামী ও সিআর পরোয়ানাভুক্ত ০৪ জন সর্বমোট=০৬ জন আসামী গ্রেফতার খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফ্যান খুলে পড়ে ছাত্রী আহত

ডুমুরিয়ায় খাল খননে অনিয়ম: সরকারি কোষাগারে ফেরত গেল ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

শাহিনুর ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি:

 

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বিলডাকাতিয়াসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত দুটি খাল খনন প্রকল্পে ভয়াবহ অনিয়ম ও অপরিকল্পিত কাজের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্প দুটিতে নামমাত্র কাজ করে অর্থ উত্তোলনের চেষ্টা করা হলেও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শেষ রক্ষা হয়নি। অব্যয়িত ও অনিয়মের কারণে আটকে যাওয়া মোট ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩১ হাজার ১৯ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত পাঠাতে বাধ্য হয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘সাহস ডোলডাঙ্গা খাল হতে কাঠবুনিয়া বড় দোয়ানিয়া খাল হয়ে ভদ্রা নদী অভিমুখে খাল পুনঃখনন’ এবং ‘কৃষ্ণনগর নিমতলা হতে বিলডাকাতিয়া হয়ে রংপুর সাড়াতলা পর্যন্ত খাল পুনঃখনন’—এই দুটি বড় বাজেটের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু শুরু থেকেই খালের গভীরতা ও সঠিক সীমানা না মেনে ভেক্যু মেশিন দিয়ে তড়িঘড়ি করে মাটি তুলে খালের পাড়েই রেখে দেওয়া হয়। এমনকি খাতা-কলমে কাজ সমাপ্ত দেখানো হলেও বাস্তবে ভদ্রা নদীর স্লুইস গেটের সামনের মাটির কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এছাড়া খালের পাড়ে সম্প্রতি রোপণ করা গাছের চারাও এখন পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

 

প্রকল্প দুটির আর্থিক চিত্র:

 

সাহস ডোলডাঙ্গা থেকে ভদ্রা নদী প্রকল্প: প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ১ কোটি ২৮ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩৭ টাকা। বিপরীতে কাজ দেখিয়ে ব্যয় ধরা হয় ৯০ লাখ ৫৪ হাজার ৩৬১ টাকা। বাকি ৩৭ লাখ ২৪ হাজার ১৭৬ টাকা অব্যয়িত হিসেবে ফেরত যায়।

 

কৃষ্ণনগর নিমতলা থেকে রংপুর সাড়াতলা প্রকল্প: প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার ২৩২ টাকা। এর মধ্যে কাজ হয়েছে ৮২ লাখ ২১ হাজার ৫৭৪ টাকার। অবশিষ্ট ৯৮ লাখ ৬০ হাজার ৬৫৮ টাকা ফেরত দেওয়া হয়।

 

ডুমুরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন জানান, প্রকল্প দুটির অব্যয়িত ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩১ হাজার ১৯ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

 

খুলনা জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম জানান, “ডুমুরিয়া উপজেলার দুটি খাল খননের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করে কাজের প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে অবশিষ্ট টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিলে উপজেলা প্রশাসন তা বাস্তবায়ন করে।”

 

এ বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সবিতা সরকারের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews