মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরার তালায় প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন ও যুব-স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সমন্বয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত কালিয়াকৈরে এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়  আমিনবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জাকির আল আহসানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার: ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের অবস্থান স্পষ্ট বেতাগীতে শিক্ষার্থীর নামে ফেসবুকে ‘মিথ্যা তথ্য’ প্রচারের অভিযোগ   তালায় সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি মাদারীপুরে মাদক ব্যবসায়ী এনামুল দর্জি পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার  কাহারোলে মাদক মামলায় যুবকের ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড কালিয়াকৈরে ক্যারাম ও মোবাইল অনলাইন জুয়া ক্যাসিনো গেইম খেলে নিস্ব নানা সাধারণ পরিবার রাজশাহীতে অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে তিনজন আটক, দুটি মোবাইল জব্দ আলী হোসেন ডলারের মহা প্রতারণার ফাদে কাকনের রুবেল রানা

বেতাগীতে শিক্ষার্থীর নামে ফেসবুকে ‘মিথ্যা তথ্য’ প্রচারের অভিযোগ  

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ সোহেল রানা (  বরগুনা )

 

বরগুনার বেতাগী উপজেলার ৩৬ নং ছোট মোকামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীর নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘মিথ্যা তথ্য’ দিয়ে স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর পরিবার সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার বাবা মোঃ মাইনুল ইসলাম।

 

অভিযোগকারী মাইনুল ইসলাম বলেন, আমার মেয়ে কোনো ভুল করলে শিক্ষক হিসেবে বিষয়টি আমাকে জানাতে পারতেন। কিন্তু তা না করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়ে আমার পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত লজ্জাজনক।

 

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা জানান, বিষয়টি তিনি ঘটনার পর জানতে পারেন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষককে মুঠোফোনে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে স্ট্যাটাসটি মুছে ফেলতে বলেন। এরপর শিক্ষক স্ট্যাটাসটি মুছে দেন বলে জানান তিনি।

 

অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষক মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, মেয়েটি অনেক দুষ্ট এবং বিভিন্ন সময় ক্লাসের নিয়মকানুন মানে না। এ কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। পরে সেটি আবার ডিলিট করে দিয়েছি।

 

এদিকে, ১৮ আগস্ট গণমাধ্যমকর্মীরা বিদ্যালয়ে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে অভিযুক্ত শিক্ষককে বিদ্যালয়ে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অসুস্থ অবস্থায় শ্বশুরবাড়িতে রয়েছেন বলে জানান।

 

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, শিক্ষক মনিরুল ইসলামের আচরণ নিয়ে এর আগেও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তার খারাপ আচরণের অভিযোগও রয়েছে বলে তারা দাবি করেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

 

শিক্ষার্থীর পরিবারের অভিযোগ, একজন শিক্ষক কোনো শিক্ষার্থীর আচরণ নিয়ে অসন্তুষ্ট হলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবককে অবহিত করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীর পরিচয় ও পারিবারিক বিষয় তুলে ধরে কোনো বক্তব্য দেওয়া হলে তা ওই শিক্ষার্থী ও পরিবারের ওপর নীতিবাচক সামাজিক প্রভাব ফেলতে পারে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews