সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কলারোয়া কমিটির নতুন পদায়ন যুগ্ম সম্পাদক হলেন মোঃ আবু রায়হান সাতক্ষীরায় এসএসসিতে চরম বিপর্যয়-৪ প্রতিষ্ঠানের একজনও পাস করেনি কলারোয়ায় সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১৮ সদস্যের কমিটি গঠন নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতিকে বরণ ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত  কয়রায় এসআই তাওহীদুলের বিরুদ্ধে অপরাধের পাহাড় বদলি ঠেকাতে গণমাধ্যমে দৌড়ঝাঁপ ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ রাণীশংকৈলের মানুষ প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ব্যাহত স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সকল শিক্ষার্থী  শ্যামনগরে যুব ও ক্রীড়া বিভাগের আয়োজনে জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতাই বড় শক্তি গোদাগাড়ী স্কুল এন্ড কলেজের প্রদর্শক ফায়েকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান  

সাতক্ষীরায় এসএসসিতে চরম বিপর্যয়-৪ প্রতিষ্ঠানের একজনও পাস করেনি

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,

​সাতক্ষীরা জেলায় মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় চরম ফলাফল বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। জেলার ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। শতভাগ ফেল করা এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে নেমে এসেছে গভীর হতাশা।

​জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, শতভাগ অনুত্তীর্ণ হওয়া এই চার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো—আশাশুনি উপজেলার গোদাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা সদরের সাতক্ষীরা নৈশ বিদ্যালয়, দেবহাটা উপজেলার বাবুরাবাদ ঢেবুখালী বিদ্যালয় এবং শ্যামনগর উপজেলার সাহেবখালী সিদ্দিকগাজী বিদ্যালয়

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকট, নিয়মিত পাঠদানের অভাব এবং শিক্ষার্থীদের অসচেতনতার কারণে এমন বিপর্যয় ঘটেছে। বিশেষ করে প্রান্তিক অঞ্চলের এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় সচেতন মহলের।

​এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, যে সকল প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি, তাদের এই ফলাফলের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন এই বিপর্যয় ঘটল এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা ও পাঠদান কার্যক্রমে কী ধরনের ত্রুটি ছিল, তা তদন্ত করে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​এদিকে, জেলার সামগ্রিক ফলাফল সন্তোষজনক হলেও, এই চার প্রতিষ্ঠানের শতভাগ ফেল করার ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান ফেরাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews