সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় এসএসসিতে চরম বিপর্যয়-৪ প্রতিষ্ঠানের একজনও পাস করেনি কলারোয়ায় সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১৮ সদস্যের কমিটি গঠন নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতিকে বরণ ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত  কয়রায় এসআই তাওহীদুলের বিরুদ্ধে অপরাধের পাহাড় বদলি ঠেকাতে গণমাধ্যমে দৌড়ঝাঁপ ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ রাণীশংকৈলের মানুষ প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ব্যাহত স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সকল শিক্ষার্থী  শ্যামনগরে যুব ও ক্রীড়া বিভাগের আয়োজনে জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতাই বড় শক্তি গোদাগাড়ী স্কুল এন্ড কলেজের প্রদর্শক ফায়েকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান   কেশবপুরে ফ্যামিলি কার্ডের ভাইবা ফল বাতিলের দাবিতে পরীক্ষার্থীদের অবস্থান

কয়রায় এসআই তাওহীদুলের বিরুদ্ধে অপরাধের পাহাড় বদলি ঠেকাতে গণমাধ্যমে দৌড়ঝাঁপ

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি

খুলনা জেলার উপকূলীয় এলাকা কয়রা থানার বিতর্কিত সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তাওহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদক কারবার, চোরাচালান ও চরম স্বেচ্ছাচারিতার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এলাকা জুড়ে বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার পরও বহাল তবিয়তে টিকে থাকতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন এই কর্মকর্তা। খুলনা জেলা পুলিশ সুপারের আদেশে তাকে বদলির সিদ্ধান্ত হলেও, তা বাতিল করে কয়রাতেই থেকে যেতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে তদবির ও নিজের পক্ষে নিউজ করানোর পাঁয়তারা চালাচ্ছেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপকূলীয় ও সীমান্তবর্তী এলাকা হিসেবে পরিচিত কয়রায় যত ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটে—তার প্রায় সবকটির সাথেই পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ যোগসাজশ রয়েছে এসআই তাওহীদুলের। বিশেষ করে সুন্দরবন সংলগ্ন এই এলাকায় হরিণের মাংস পাচারকারী চক্র ও আন্তর্জাতিক হরিণ শিকারি ব্ল্যাকমেইলারদের সাথে তার গভীর সখ্য গড়ে উঠেছে। নিয়মিত মোটা অঙ্কের মাসহারার বিনিময়ে তিনি এসব চোরাচালানিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে সুরক্ষা দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এছাড়া কয়রায় মাদকের বিস্তার ও জিআর (জিটি) মামলায় সাধারণ মানুষকে ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে নিয়মিত মানুষকে হয়রানি করায় কয়রার সাধারণ জনগণ তার ওপর অতিষ্ঠ।

খুলনা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মহোদয়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে তার বদলির প্রক্রিয়া শুরু হলেও, কয়রায় অবস্থান নিশ্চিত করতে একাধিক অনিবন্ধিত ও ভূঁইফোড় সংবাদ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করে নিজের ভাবমূর্তি রক্ষার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

কয়রা উপজেলায় অপরাধের বিস্তার রোধে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এই বিতর্কিত কর্মকর্তাকে দ্রুত অপসারণ ও তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খুলনা জেলা পুলিশ সুপার যাতে কোনো সুপারিশে কান না দিয়ে তাকে কয়রা থানা থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন—এ জন্য জোর আকুতি জানিয়েছে এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews