
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জুয়েলারি ব্যবসায়ী বিকাশ ঘোষ (৪৬) চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় হামলার শিকারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিকাশ ঘোষ (৪৬), পিতা-গোবিন্দ লাল ঘোষ, মাতা-পুষ্প রানী ঘোষ, সাং-বংশীপুর, পোঃ ঈশ্বরীপুর, থানা-শ্যামনগর, জেলা-সাতক্ষীরা ০৬ জুন থানায় হাজির হইয়া লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে যে, বিবাদী-মোঃ আরজু গাজী (৩০), পিতা-মোঃ আতিয়ার রহমান (আদু), সাং ও পোঃ নকিপুর, থানা-শ্যামনগর, জেলা-সাতক্ষীরা’ একজন চাঁদাবাজ, মাদকাসক্ত, আইন-শৃংখলা ভংগকারী, সংখ্যালঘু নির্যাতনকারী, হুমকী প্রদর্শনকারী ও অতীব দুর্দান্ত প্রকৃতির ব্যক্তি হইতেছে। অপর দিকে আমি বাদী একজন নিরীহ, শান্তিপ্রিয়, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ব্যক্তি হইতেছি। আমি দীর্ঘদিন যাবৎ নকিপুর (শ্যামনগর) হাট/বাজারে জুয়েলারী ব্যবসা পরিচালনা করিয়া আসিতে থাকাবস্থায় সম্প্রতি সময়ে উপরোক্ত বিবাদী আমার নিকট চাঁদার দাবী করিয়া আসিতেছে। গত ইং-২৫/০৬/২০২৬ তারিখ, রাত্র আনুঃ ৮.৪৫ ঘটিকার সময় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে পায়ে হেঁটে “বাপ্পী গ্যারেজ” থেকে নিজ ব্যবহৃত মটর সাইকেল মেরামত করিয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার প্রাক্কালে জে,পি কমপ্লেক্স মেইন রাস্তার বিপরীত পার্শ্বে পৌছাইলে পূর্ব থেকে ওঁৎপেতে থাকা বিবাদী আমার মটর সাইকেলের পথ পতিরোধ করিয়া পূর্বের চাহিত চাঁদার টাকা দাবীতে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দিতে অস্বীকার করিলে অতর্কিত ভাবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ী চড়, কিল, ঘুষি ও লাথি মারিয়া ফুলাজখম করে এবং হুমকী দিয়া বলে যে, শ্যামনগর ব্যবসা করিতে হইলে তাহাকে চাঁদা দিয়া ব্যবসা করিতে হইবে এবং উক্ত মারপিটের ঘটনা কাউকে জানাইলে কিংবা থানায় অভিযোগ করিলে পরবর্তিতে আমাকে সুযোগে পাইলে খুনজখম করিবে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুটতরাজ করিবে, ব্যবসা বন্ধ করিয়া দিবে, শ্যামনগর বাজারে উঠিতে দিবে না মর্মে নানাবিধ হুমকী প্রদর্শন করে। যে কারণে আমি মাদকাসক্ত বিবাদীর ঐরুপ হুমকীর কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিনাতিপাত করিতেছি।
বিকাশ ঘোষ আরো বলেন, সংখ্যালঘু নির্যাতনকারী বিবাদীর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক জান ও মালামালের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নিমিত্ত্বে প্রশাসনের উদ্ধতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।