বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজৈরে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা খুলনা মহানগরীতে জলবায়ু স্থানচ্যুতি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র হস্তান্তর আন্তর্জাতিক যুব দিবসে তালায় জামায়াতের যুব বিভাগের সাইকেল র‍্যালি খুলনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন সরকার ওমর ফারুক দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  কলারোয়ায় ৩৭৬ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূর ও ২৫০০ কৃষক পরিবারের ভাগ্যবদলে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন  শ্যামনগরে নামজারি ও জমি ইজারায় দুর্নীতি নায়েব গগন ও ঝাড়ুদার জিতেনের সিন্ডিকেটে জিম্মি বুড়িগোয়ালিনী বেতাগীর কাজীরহাট বাজার দখল, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনায় বদলাচ্ছে না বাজারের চিত্র   সাতক্ষীরায় প্রকাশ্যে ক্ষতিকারক ‘ডেনড্রাইট’ আঠা সেবন ঝুঁকিতে কিশোর ও যুবসমাজ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তালার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের

তালায় আমের বাজারে ধস,লোকসানে আম চাষী

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

শাহিনুর ইসলাম,তালা (উপজেলা) প্রতিনিধি:

 

চলতি আমের মৌসুমে আমের বাজারে ধস নেমেছে। কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়া লোকসানে পড়েছে আম চাষী।

 

 

আম চাষী আব্দুল্লাহ কাগচী বলেন,তার নিজস্ব তিন বিঘা জমিতে আম বাগান আছে। লীস নিয়ে আরও ছয় বিঘা জমিতে আমের চাষ করেন। এবার গাছে বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া বৈরীতার কারণে হিম সাগর সহ অন্যান্য জাতের আম ঝরে পড়েছে। সেই সাথে অতিরিক্ত গরমে আম আগাম পাক ধরে। অন্যদিকে ঈদুল আজহার একটানা ছুটেতে বাজার ক্রেতা শূন্য হয়ে পড়ে।

 

 

মৌসুমি আম ব্যবসীয় কামরুল ফকির বলেন,আমার কেনা বাগানে এখন আম্রপালি আর ল্যাংড়া আম আছে। যে দামে বাগান কিনেছিলাম,স্থানীয় বাজারে আমের দাম না থাকায়,লোকসানে পড়তে হচ্ছে।

 

 

আর এক আম ব্যবসায়ী রবিউল গাজী বলেন,আজ ৩০ বছর আমে ব্যবসার সাথে জড়িত। ১৪ বিঘা আমের বাগান কেনা আছে। আগে ঢাকায় আম পাঠানো হত। কয়েক বছর ধরে খুলনার আমের আড়তে আম পাঠায়। ব্যবসার জীবনে এত কম দামে আমের বাজার দেখা যায় নি। গত বছর গোবিন্দ ভোগ ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করে ছিলাম। চলতি বছর ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করি। হিমসাগর ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে গত মৌসুমে বিক্রয় করি যা এ মৌসুমে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রয় হয়। আম্রপালি,ল্যাংড়া সহ অন্যান্য জাতের আমের বাজারের একই অবস্থা।

 

 

তিনি আরও বলেন,কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আবহাওয়া নিরের্ক্ষণ করে আম ভাঙ্গার কালেন্ডার দিলে ভালো হত। এবার সাতক্ষীরায় অনাবৃষ্টি এবং তাপমাত্রা বেশি থাকায় অধিকাংশ বাগানের আম আগাম পাক ধরে। ফলে ব্যবসায়ীরা এক সাথে আম বাজারে তোলে। এ কারণে আমের বাজারে ধস নামে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে প্রান্তিক আম চাষীদের উপর।

 

 

অন্যদিকে ঢাকার এক স্কুল শিক্ষিকা নাহিদা সুলতানা বলনে,যেকোন ভালো জাতের আমের কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এছাড়া ফরমালিন মুক্ত আম ১৫০ টাকা দরে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। যা আমাদের মত মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে।

 

 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরায় প্রায় ৪ হাজার ১৪০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৭০ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন। যার বেশির ভাগ সাতক্ষীরার তালা,কলারোয়া,সাতক্ষীরা সদর এবং দেবহাটা উপজেলার কিছু এলাকায় উৎপাদন হয়। বাকী শ্যামনগর,কালীগঞ্জ,আশাশুনি উপজেলা লবণাত্মক হওয়া উৎপাদনের হার তুলনামূলক কম।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews