সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা খালেদুর রহমান কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে যোগদান সাতক্ষীরায় বইছে শুভকামনার জোয়ার কপিলমুনিতে মাদক সহ আটক ৫জন, আদালতের মাধ্যমে ৬ মাসের জেল লেখালেখি দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও খ্যাতি ছড়াচ্ছেন তুলতুল। শ্যামনগরে মা”য়ের মামলায় পুত্র জেলে বিশ্বনাথের স্থানীয় রাজনীতিতে ইউপি  চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিনের চমক। ক্রীড়া কার্ড ৫০০তে উন্নীত করা হবে কালিয়াকৈরে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী অপহরণকারীদের পরিকল্পনা ভেস্তে দিল র‍্যাব, ২৪ দিন পর নিরাপদে উদ্ধার ভিকটিম জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মানবতার সেবায় আমরা সংগঠনের উদ্যোগে বিশুদ্ধ পানি (টিউবওয়েল) বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন————-যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ সফিউল আলম

গাবুরায় ৩০টি সরকারি গাছ কর্তন: বাধা দেওয়ায় গ্রাম পুলিশকে প্রাণনাশের হুমকি

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,

সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার ১২ নং গাবুরা ইউনিয়নে সরকারি সম্পদ চুরির এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নের ৯ নং সোরা এলাকায় অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন লবণ প্রকল্পের প্রায় ৩০টি বিভিন্ন প্রজাতির সরকারি গাছ অবৈধভাবে কেটে ফেলেছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। এ সময় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া দায়িত্বরত দফাদারকে (গ্রাম পুলিশ) প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোরা এলাকার লবণ প্রকল্পে থাকা কয়েক বছর বয়সী মূল্যবান গাছগুলো গত কয়েকদিন ধরে পর্যায়ক্রমে কেটে নিচ্ছিল একটি চক্র। সরকারি এসব গাছ কাটার ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রের বিপুল আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় নায়েবের (ভূমি সহকারী কর্মকর্তা) নির্দেশনায় গ্রাম পুলিশের দফাদার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং গাছ কাটতে বাধা প্রদান করেন।

অভিযোগ উঠেছে, গাছ কাটায় বাধা দেওয়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দফাদারের ওপর চড়াও হয় এবং তাকে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। এ ঘটনায় সরকারি কর্মচারী ও তাদের পরিবারের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় সরকারি কাজে বাধা দিতেও তারা দ্বিধাবোধ করছে না।

স্থানীয় ও প্রাথমিক অভিযোগ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তরা হলেন—

১. সাইদ (পিতা: হবি খাঁ)

২. ফারুক খাঁ (পিতা: বাশার খাঁ)

৩. আলমগীর (পিতা: ফজের খাঁ)

৪. জবেদা (পিতা: হবি খাঁ)

৫. সাহেব আলী (পিতা: সলেমান খাঁ)

গাবুরার সচেতন মহল এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উপকূলীয় এলাকায় পরিবেশ রক্ষায় গাছ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে সরকারি সম্পদ লুটপাট এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের হুমকি দেওয়া আইনের শাসনের পরিপন্থী। তারা অবিলম্বে বন বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্থানীয়রা জানান, ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন মহলে অবগত করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হয়েছে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে সরকারি সম্পদ উদ্ধার করা হবে এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করে এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে।

 

 

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews