সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা খালেদুর রহমান কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে যোগদান সাতক্ষীরায় বইছে শুভকামনার জোয়ার কপিলমুনিতে মাদক সহ আটক ৫জন, আদালতের মাধ্যমে ৬ মাসের জেল লেখালেখি দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও খ্যাতি ছড়াচ্ছেন তুলতুল। শ্যামনগরে মা”য়ের মামলায় পুত্র জেলে বিশ্বনাথের স্থানীয় রাজনীতিতে ইউপি  চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিনের চমক। ক্রীড়া কার্ড ৫০০তে উন্নীত করা হবে কালিয়াকৈরে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী অপহরণকারীদের পরিকল্পনা ভেস্তে দিল র‍্যাব, ২৪ দিন পর নিরাপদে উদ্ধার ভিকটিম জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মানবতার সেবায় আমরা সংগঠনের উদ্যোগে বিশুদ্ধ পানি (টিউবওয়েল) বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন————-যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ সফিউল আলম

গাবুরায় প্যালাসাইটিং নির্মাণে ভয়াবহ অনিয়ম সিসি ঢালাইয়ের বদলে ইটের গাঁথুনি

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে উপকূল রক্ষা ও জনপদ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নের চাঁদনীমুখা এলাকায় চেয়ারম্যান মাছুদুল আলমের বাড়ির পাশের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ধারে পুকুর পাড়ে প্যালাসাইটিং নির্মাণে সরকারি প্রাক্কলন (এস্টিমেট) তোয়াক্কা না করে দায়সারাভাবে কাজ শেষ করার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় জনগণ।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত প্রকল্প অনুযায়ী পুকুর পাড়ের এই প্যালাসাইটিং কাজে মজবুত কাঠামোর জন্য সিসি (সিমেন্ট-কংক্রিট) ঢালাই দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সরেজমিনে দেখা গেছে, সেখানে ঢালাইয়ের কোনো ছিটেফোঁটাও নেই। পরিবর্তে শুধুমাত্র সাধারণ ইটের গাঁথুনি দিয়ে তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করা হচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, উপকূলীয় এই দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় যেখানে পানির চাপে মাটির ক্ষয় বেশি, সেখানে ঢালাই ছাড়া ইটের গাঁথুনি দিয়ে তৈরি প্যালাসাইটিং কোনোভাবেই টেকসই হবে না। এটি স্রেফ সরকারি অর্থের অপচয় এবং দুর্নীতির নতুন কৌশল।

 

ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা জানান, এই দুর্নীতি প্রকাশ্য দিবালোকে হলেও দেখার যেন কেউ নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বাসিন্দা বলেন

“এখানে কাজ হচ্ছে নামমাত্র। ঢালাই দেওয়ার কথা থাকলেও ইটের ওপর ইট গেঁথে কাজ শেষ করা হচ্ছে। প্রথম জোয়ারের ঝাপটা বা বর্ষা এলেই এই দেয়াল ধসে পড়বে। এসব দেখার কি কেউ নেই?”

অন্যান্য স্থানীয়রা আরও জানিয়েছেন, প্রকল্পের শুরু থেকেই অস্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে। দুর্নীতির প্রতিবাদ করলে উল্টো রোষানলে পড়ার ভয়ে অনেকে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।

 

অভিযোগের বিষয়ে গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম মাছুদুল আলমের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাংবাদিকরা কয়েক দফা চেষ্টা করেও তার কোনো সাড়া পাননি, যা দুর্নীতির অভিযোগকে আরও জোরালো করে তুলেছে।

উপকূলীয় এলাকার এই উন্নয়ন প্রকল্পে এমন নয়ছয় বন্ধে এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন গাবুরার সচেতন মহল।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews