বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজৈরে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা খুলনা মহানগরীতে জলবায়ু স্থানচ্যুতি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র হস্তান্তর আন্তর্জাতিক যুব দিবসে তালায় জামায়াতের যুব বিভাগের সাইকেল র‍্যালি খুলনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন সরকার ওমর ফারুক দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  কলারোয়ায় ৩৭৬ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূর ও ২৫০০ কৃষক পরিবারের ভাগ্যবদলে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন  শ্যামনগরে নামজারি ও জমি ইজারায় দুর্নীতি নায়েব গগন ও ঝাড়ুদার জিতেনের সিন্ডিকেটে জিম্মি বুড়িগোয়ালিনী বেতাগীর কাজীরহাট বাজার দখল, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনায় বদলাচ্ছে না বাজারের চিত্র   সাতক্ষীরায় প্রকাশ্যে ক্ষতিকারক ‘ডেনড্রাইট’ আঠা সেবন ঝুঁকিতে কিশোর ও যুবসমাজ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তালার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের

গাজীপুরে ঘুমন্ত স্ত্রী-সন্তানসহ ৫ জনকে হত্যা: ঘাতক ফোরকান পলাতক পারিবারিক কলহ ও মাদকের টাকা না পেয়ে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড; নিহতদের মধ্যে ২ বছরের শিশুও রয়েছে

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

সাহারা সুলতানা, বিশেষ প্রতিনিধি

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় মাদকের টাকা এবং যৌতুকের দাবিতে নিজের স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে ফোরকান মিয়া নামের এক পাষণ্ড। গতকাল গভীর রাতে উপজেলার একটি প্রবাসীর বাড়িতে এই লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে। হত্যার পর নিজের ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে ফোন করে দম্ভোক্তি করে পালিয়ে যায় ঘাতক ফোরকান।

নিহতরা হলেন— ফোরকানের স্ত্রী, তাদের তিন সন্তান (যাদের মধ্যে কনিষ্ঠ কন্যার বয়স মাত্র ২ বছর) এবং চাকরির কথা বলে ডেকে আনা ফোরকানের শ্যালক।

 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পেশায় প্রাইভেট কার চালক ফোরকান গত এক বছর ধরে কাপাসিয়ার ওই বাড়িতে ভাড়া ছিল। শুক্রবার জুমার দিন উপলক্ষে বাড়িতে ভালো খাবারের আয়োজন ছিল। রান্না হয়েছিল পায়েস, আনা হয়েছিল কোমল পানীয়। প্রতিবেশীরা ধারণা করছেন, রাতে খাবারের সাথে চেতনানাশক কিছু মিশিয়ে সবাইকে অচেতন করা হয়েছিল অথবা গভীর ঘুমে থাকা অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাদের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।

 

ঘটনার পর ফোরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে ফোন দিয়ে বলে, “টাকা দিতে পারে না, তাই সব কয়টারে শেষ কইরা দিছি।” এই ফোনের পরই বিষয়টি জানাজানি হয় এবং চাঞ্চল্য তৈরি হয়। ফোরকান দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিল এবং মাদকের টাকার জন্য প্রায়ই স্ত্রীকে নির্যাতন করত বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসী একাধিকবার সালিশ-বৈঠক করলেও তার স্বভাব বদলায়নি।

 

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকানের ঘর থেকে একটি মামলার নথি পাওয়া গেছে। সেখানে লেখা ছিল— স্ত্রীর কাছে সে ১০ লাখ টাকা পায় এবং স্ত্রীকে সে পরকীয়ার সন্দেহ করত। তবে পুলিশ ও স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, ঠান্ডা মাথায় খুন করার পর নিজের অপরাধ আড়াল করতে এবং ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ঘাতক ফোরকান এই নথি আগে থেকেই তৈরি করে রেখেছিল।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews