1. live@dailysatkhirdiganta.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.dailysatkhirdiganta.com : দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন

অভয়নগরে স্কুলে অনুপস্থিত থেকেও বেতন উত্তোলন: টিও, এটিও, প্রধান শিক্ষিকা ও সহকারী শিক্ষিকাকে শোকজ ‎

প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

‎বিশেষ প্রতিনিধি

‎যশোরের অভয়নগর উপজেলার ইছামতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা কানিজ মুর্শিদার দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগে এবার প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (টিও) মো ওলিউজ্জামান, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া খাতুন  এবং অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষিকা কানিজ মুর্শিদার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ জারি করেছেন যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিও) জি এম আলমগীর কবির।

‎জানা গেছে, ডিপিও জি এম আলমগীর কবির স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিশে সংশ্লিষ্ট চারজনকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কীভাবে সহকারী শিক্ষিকা কানিজ মুর্শিদা নিয়মিত বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন এবং এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি  সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

‎এর আগে “নওয়াপাড়া প্রতিদিন” এ প্রকাশিত সংবাদে উঠে আসে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে কানিজ মুর্শিদা নিয়মিত বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলেও সরকারি বেতন ও অন্যান্য সুবিধা গ্রহণ করে আসছেন। এমনকি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের অনেকেই তাকে দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে দেখেননি বলে জানিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, হাজিরা খাতায় একসঙ্গে অনেক দিনের স্বাক্ষর করা এবং বেতনের রিটার্ন শিটে রহস্যজনকভাবে স্বাক্ষর সম্পন্ন হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

‎ঘটনার পর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন। তদন্তের অংশ হিসেবেই সংশ্লিষ্টদের শোকজ করা হয়েছে বলে শিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

‎জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জি এম আলমগীর কবির বলেন, “অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে তাদের জবাব পাওয়ার পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

‎এদিকে শোকজের খবরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

‎১৭ জুন ২০২৬

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত