
নজরুল ইসলাম খোকন,টেকনাফ, কক্সবাজার
দীর্ঘদিন তুলনামূলক শান্ত থাকার পর আবারও মায়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘর্ষ ও বিস্ফোরণের শব্দে প্রকম্পিত হচ্ছে কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ। বিশেষ করে রাতের নীরবতায় ভেসে আসা ভারী অস্ত্রের গর্জন ও বিস্ফোরণের শব্দে সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত কয়েকদিন ধরে মায়ানমারের সীমান্তঘেঁষা বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেমে গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এতে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ, সাবরাং, হ্নীলা ও আশপাশের সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। অনেকেই অপ্রয়োজনীয়ভাবে সীমান্তের কাছাকাছি যাওয়া থেকে বিরত থাকছেন।
সীমান্ত এলাকার সচেতন নাগরিকরা বলছেন, মায়ানমারের চলমান অভ্যন্তরীণ সংঘাতের প্রভাব যাতে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে না পড়ে, সে জন্য সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নজরদারি অব্যাহত রাখা জরুরি। একই সঙ্গে সীমান্তবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর টহল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্তে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখা হয়েছে।
তবে মায়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘর্ষের প্রকৃতি, বিস্ফোরণের কারণ বা হতাহতের বিষয়ে স্বাধীনভাবে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ অবস্থায় সীমান্তবাসীকে গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে সতর্ক থাকার এবং প্রয়োজনে প্রশাসনের নির্দেশনা অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।