
বিধান চন্দ্র রায়,দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি।
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় ইএসডিও (ESDO) এনজিওর অর্থায়নে ১২১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১২ হাজার ৫৩৫ জন কোমলমতি শিক্ষার্থীর মাঝে বিতরণ করা খাবার নিম্নমানের ও অস্বাস্থ্যকর হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণির ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুরা।
এনজিও সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পারুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা বিতরণের কথা থাকলেও বাস্তবে শিক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে শক্ত ও নিম্নমানের পারুটি, আধা কাঁচা ও ছোট আকারের কলা এবং ঠান্ডা ডিম। অনেক ক্ষেত্রে একাধিক দিনের খাবার একদিনেই সরবরাহ করা হচ্ছে।
ডিলার ও বিতরণকারীরা জানান, কম মূল্যে খাদ্য সরবরাহের কারণে নিম্নমানের পণ্য দিতে বাধ্য হচ্ছেন। স্থানীয় শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ—খাবার খেতে অসুস্বাদু, মানসম্মত নয় এবং শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী ১০০ গ্রাম ওজনের মানসম্মত কলা, কুসুম গরম সিদ্ধ ডিম ও ১২০ গ্রাম উন্নতমানের পারুটি দেওয়ার কথা থাকলেও তার কোনো মিল নেই বাস্তবে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আগে কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি, তবে খোঁজ নেওয়া হবে।
এদিকে তীব্র শীতের মধ্যে এমন অস্বাস্থ্যকর খাবার শিশুদের অসুস্থতার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে মনে করছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল। দ্রুত তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।