
নিজস্ব প্রতিবেদক,
মেধা যাচাইয়ের চূড়ান্ত লড়াইয়ে নামছে দেশের লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী। আগামীকাল মঙ্গলবারকাল (২১ এপ্রিল, ২০২৬) থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি), দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরা জেলা ও এর অন্তর্ভুক্ত সকল উপজেলায় পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কলারোয়া, তালা, দেবহাটা, আশাশনি, কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলার প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে ইতোমধ্যে আসন বিন্যাসসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী ও উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে। বিশেষ করে শ্যামনগর ও আশাশনির মতো নদীবেষ্টিত এলাকায় পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পৌঁছাতে যাতে কোনো ভোগান্তি না হয়, সেজন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সজাগ থাকতে দেখা গেছে। কলারোয়া ও তালা উপজেলার কেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ টহল জোরদার করা হয়েছে।
পরীক্ষার্থীদের এই গুরুত্বপূর্ণ যাত্রায় সাহস যোগাতে পাশে দাঁড়িয়েছে সাতক্ষীরার জনপ্রিয় গণমাধ্যম ‘দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত’ (ডিএসডি টিভি)। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা জেলাসহ দেশের সকল প্রান্তের পরীক্ষার্থীদের প্রতি দোয়া ও শুভকামনা জানানো হয়েছে।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় ডিএসডি টিভি কর্তৃপক্ষ জানায়
“তোমরাই আগামীর বাংলাদেশের কারিগর। দীর্ঘ পরিশ্রমের ফসল ঘরে তোলার সময় এখন। সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলাসহ দেশের সকল জেলা-উপজেলার পরীক্ষার্থীদের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে রইলো আন্তরিক অভিনন্দন ও আশীর্বাদ। আমরা বিশ্বাস করি, তোমাদের হাত ধরেই উজ্জ্বল হবে দেশের মুখ।”
শিক্ষা বোর্ড থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। কেন্দ্রের ভেতর মোবাইল ফোন বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রগুলোর আশেপাশে ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকবে এবং শব্দদূষণ রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার জেলায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ও কেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গত বছরের তুলনায় আরও সুসংহত করা হয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত সার্বক্ষণিক মাঠে থাকবে।
দেশজুড়ে এই শিক্ষা উৎসব যেন সফলভাবে সম্পন্ন হয়, সেই প্রত্যাশা এখন প্রতিটি ঘরে। আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এই লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর সাফল্য কামনা করছে সর্বস্তরের মানুষ।