বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খুলনার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন সরকার ওমর ফারুক দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ  কলারোয়ায় ৩৭৬ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দূর ও ২৫০০ কৃষক পরিবারের ভাগ্যবদলে খালের কচুরিপানা পরিষ্কার কার্যক্রমের উদ্বোধন  শ্যামনগরে নামজারি ও জমি ইজারায় দুর্নীতি নায়েব গগন ও ঝাড়ুদার জিতেনের সিন্ডিকেটে জিম্মি বুড়িগোয়ালিনী বেতাগীর কাজীরহাট বাজার দখল, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনায় বদলাচ্ছে না বাজারের চিত্র   সাতক্ষীরায় প্রকাশ্যে ক্ষতিকারক ‘ডেনড্রাইট’ আঠা সেবন ঝুঁকিতে কিশোর ও যুবসমাজ, উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তালার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা, এক বছরের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা হাবিবের শ্যামনগরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু পুলিশি শৃঙ্কলা ও নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগ বকশী হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার দাবি সাতক্ষীরায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় বৃক্ষমেলা ও বৃক্ষরোপণ অভিযানের সমাপ্তি

সততা ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত পুলিশ অফিসার এএসআই গোপাল চন্দ্র

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩১১ বার পড়া হয়েছে

যশোর প্রতিনিধি

পুলিশ বাহিনীর পেশাদারিত্বের আড়ালে লুকায়িত থাকে কিছু অসাধারণ মানবিক গল্প। তেমনই এক গল্পের নায়ক এএসআই গোপাল চন্দ্র। খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার এই কৃতি সন্তান বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত থেকে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। ২০২৫ সালকে বিদায় জানিয়ে ২০২৬-এর নতুন ভোরে তিনি দেশবাসীকে জানিয়েছেন আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

 

এএসআই গোপাল চন্দ্রের চাকরি জীবনে কোনো কালিমার দাগ নেই। শুরু থেকেই তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠা এবং সততার সাথে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার কাছে পুলিশের উর্দি শুধু একটি পেশা নয়, বরং জনসেবার এক মহান ব্রত। কোনো লোভ বা মোহ তাকে কখনও স্পর্শ করতে পারেনি। “সাদা-মাটা জীবন, উচ্চ চিন্তা”—এই নীতিতেই তিনি অভ্যস্ত।

 

বিগত সময়ে সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত থাকাকালীন তিনি সাধারণ মানুষের সাথে গভীর সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন। সেবা নিতে আসা মানুষ তার কাছ থেকে পেয়েছে পরম মমতা ও আইনি সহযোগিতা। বর্তমানে তিনি যশোর জেলায় কর্মরত আছেন। সেখানেও তার সততা এবং মানবিক আচরণের কথা স্থানীয়দের মুখে মুখে।

 

“গোপাল বাবু শুধু একজন পুলিশ অফিসার নন, তিনি একজন সত্যিকারের ভালো মনের মানুষ। উনার মতো অফিসার থাকলে পুলিশের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা আরও বেড়ে যায়।”

 

গোপাল চন্দ্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো তার অমায়িক ব্যবহার। উঁচু-নিচু ভেদাভেদ ভুলে যেকোনো মানুষের সাথে তিনি খুব সহজে মিশে যেতে পারেন। পুলিশের কঠোর ইমেজের আড়ালে তার যে মানবিক হৃদয় রয়েছে, তা তাকে সহকর্মী এবং সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে তুলেছে। খুব সাধারণ জীবনযাপন এবং প্রচারবিমুখ এই অফিসার নীরবে কাজ করে যাওয়াই পছন্দ করেন।

 

২০২৬ সালের আগমনে এএসআই গোপাল চন্দ্র দেশবাসী, তার সহকর্মী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের জানিয়েছেন “হ্যাপি নিউ ইয়ার”। নতুন বছরে তিনি আরও বেশি মানুষের সেবা করার এবং পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

একজন সৎ ও মানবিক অফিসার হিসেবে গোপাল চন্দ্রের এই যাত্রা অব্যাহত থাকুক—এটাই স্থানীয় বাসিন্দা এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews