রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকের বিরুদ্ধে যখন উত্তাল সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ, তখনই ভাইরাল স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কথিত ইয়াবা সেবনের ভিডিও! জনমনে তীব্র ক্ষোভ শ্যামনগরে মা’য়ের দাঁত ভাঙলো ছেলে শ্যামনগরে যৌতুকলোভী আজিজুল হক আকাশ গ্রেফতার ডুমুরিয়ার খর্ণিয়া ইউপি নির্বাচন: দলীয় প্রতীক না থাকায় বাড়ছে প্রার্থীর ভিড়, মাঠে নামছেন এক ডজন সম্ভাব্য প্রার্থী ফরিদপুরে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সাথে বিএমডিএ চেয়ারম্যানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত টেকনাফে ইউএনওর উপস্থিতিতে এনজিও কার্যক্রম ও সীমান্ত উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময়, ঝিমংখালী বিজিবি ক্যাম্প পরিদর্শন ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক রোহিঙ্গা আসামি আইয়ুব আলী র‍্যাব-১৫-এর হাতে গ্রেপ্তার উন্নয়নের সুবিধা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না”, অভয়নগরে এডিবি’র উন্নয়ন বরাদ্দ বিতরণ অনুষ্ঠানে এমপি গোলাম রসুল চুকনগরে মাদক, অনলাইন জুয়া ও দুর্নীতি নির্মূলের দাবিতে মানববন্ধন ফরিদপুরে আলী আছগার এমপির অর্থায়নে কৃষকদের মাঝে স্প্রে মেশিন ও শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

ভোটের মাঠে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ সেনা মোতায়েন থাকবে: ইসি সচিব

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৪১ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন শ্যামনগর উপজেলা ক্রাইম রিপোর্টার

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশব্যাপী ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে থাকবে ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য—এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইসি সচিব।

তিনি জানান, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানো এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবার সেনাবাহিনীকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে রাখা হবে। প্রতিটি জেলায় নির্বাচনের আগে থেকেই সেনা মোতায়েন থাকবে, যাতে যেকোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

ইসি সূত্র জানায়, শুধু সেনা নয়, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ এবং আনসার বাহিনী মিলিয়েও প্রায় ৭ লাখ সদস্য মাঠে কাজ করবে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ভূমিকা হবে সমন্বয় ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ।

সচিব বলেন, গত কয়েকটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েন কার্যকর ছিল। ভোটকেন্দ্রের ভেতরে তাদের উপস্থিতি না থাকলেও বাইরে অবস্থান করবে তারা। যেকোনো অভিযোগ বা সহিংসতা ঘটলে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এই বাহিনী।

প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মোবাইল আর্মি টিম থাকবে, পাশাপাশি জেলায় থাকবে স্ট্যাটিক টিম। সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনীও সমন্বয় করে কাজ করবে।

নির্বাচনে প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ স্কোয়াড গঠন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সেনাবাহিনী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ভোটের দিন থেকে ভোটের পরবর্তী ২ দিন পর্যন্ত সেনাবাহিনীর অবস্থান নিশ্চিত করার সুপারিশ গৃহীত হয়েছে।

ভোট গ্রহণের সময় সোস্যাল মিডিয়া মনিটরিং, ভুয়া তথ্য প্রচার ও গুজব প্রতিরোধে বিশেষ সেল গঠন করা হবে বলে ইসি জানিয়েছে।

সচিব আরও বলেন, “ভোটারদের নিরাপত্তা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। কেউ যেন ভয়ভীতি ছাড়া প্রার্থীদের পক্ষে ভোট দিতে পারে, সেটাই আমরা নিশ্চিত করতে চাই।”

সাধারণ ভোটাররা আশা করছেন, সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হবে। অনেকে মনে করছেন, এবার সহিংসতা কম হবে এবং ভোটকেন্দ্রে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হবে না।

দেশের বিভিন্ন রাজনীতিক মহলও সেনা মোতায়েনের এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। তবে কিছু দল বলছে, সেনাবাহিনীকে পর্যাপ্ত ক্ষমতা না দিলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হবে।

সবশেষে, নির্বাচন কমিশন জানায়, নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে সর্বক্ষণ কাজ করবেন। জনগণকে শান্ত ও সচেতন থাকারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews