
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। হামলার শিকার শারমিন খাতুন বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফিংড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা ইসমাইল হোসেনের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী মানিক গাজী গংদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। অভিযুক্তরা প্রায়শই তুচ্ছ অজুহাতে ইসমাইলের পরিবারের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ত। এরই ধারাবাহিকতায় গত [হামলার তারিখ ও সময় উল্লেখ করুন] তারিখে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ইসমাইল হোসেনের বসতভিটায় অনাধিকার প্রবেশ করে হামলা চালায়।
এ সময় ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী শারমিন খাতুন বাধা দিতে গেলে বিবাদী মানিক গাজী (২৭) তার হাতে থাকা ধারালো ‘দা’ দিয়ে শারমিনের মাথায় সজোরে আঘাত করেন। এতে তার মাথা গুরুতর জখম হয় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।
এই ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন— একই গ্রামের বাসিন্দা মানিক গাজী (২৭), ইরা খাতুন (৩০), আসমা খাতুন, আজিজুল ইসলাম (৩৭) ও মনোয়ারা খাতুন।
ভুক্তভোগীর ভাই মায়ের হোসেন জানান, “আসামিরা পরিকল্পিতভাবে আমার বোনের ওপর হামলা চালিয়েছে। তারা এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং প্রায়ই আমাদের পরিবারকে নানাভাবে হয়রানি করে আসছিল। আমরা এই হামলার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার দাবি করছি।”
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম বলেন, “ফিংড়ি ইউনিয়নে গৃহবধূর ওপর হামলার বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়েছি। থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং খুব শীঘ্রই দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।