
শাহ জাহান আলী মিটন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরায় টেকসই কার্যক্রম নিশ্চিতকরণের ধরনসমুহ এবং প্রকল্প সমাপ্তি পরিকল্পনা বিষয়ে সরকারী কর্মকর্তা, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, শিক্ষক, নেটওয়ার্ক প্রতিনিধি, এনজিও, সাংবাদিক ও কমিউনিটির অন্যান্য স্টেকহোল্ডার নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (০৪ মার্চ) সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো বাস্তবায়নে এবং একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় এফরটি প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
সিডো সাতক্ষীরার প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত।
বিগত বছরের কার্যক্রমের অর্জনসমুহের উপর প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. তহিদুজ্জামান।
কর্মশালা থেকে প্রত্যাশা ও টেকসই কার্যক্রম নিশ্চিতকরণের ধরণসমুহের উপর প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন একশনএইড বাংলাদেশ সিনিয়র অফিসার (মিল) মাহিনুর রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, একশনএইড বাংলাদেশ ডেপুটি ম্যানেজার পার্টনার এন্ড প্রোগ্রাম আরিফ সিদ্দিকী, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপ-পরিচালক সঞ্জীত কুমার দাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: মুনির হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: শাহিনুল ইসলাম, ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার নুরুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সাতক্ষীরার করবী সুলতানা, জেডিএফ, সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, ইউপি সদস্য, এনজিও কর্মকর্তা, শিক্ষক, নেটওয়ার্কের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও যুব সদস্যবৃন্দ।
কর্মশালার উদ্দেশ্য ছিল অংশগ্রহনকারীদের স্থায়ীত্ব সম্পর্কে ধারনা জোরদার করা এবং ব্যাবহারিক প্রয়োগের উপর একটি ভাগাভাগি তৈরী করা, উন্নয়ন স্থায়ীত্ব বলতে কি বোঝায়, প্রাতিষ্ঠানিক স্থায়ীত্ব, আর্থিক স্থায়ীত্ব, নেতৃত্বের স্থায়িত্ব ও নেটওয়ার্ক এবং প্রভাব স্থায়ীত্ব। আগামী বছরগুলোতে আমরা যুব সংগঠনগুলোকে অংশীদার সংগঠন, কর্মসূচি কাঠামো এবং নেটওয়ার্কিং কোথায় দেখতে চায় তা স্পষ্ট করা এবং সেই অবস্থানে পৌছানোর পথে সারিবদ্ধ হওয়া। প্রকল্প শেষ হওয়ার পর পর্যায়ক্রমের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের ভুমিক এবং দায়িত্ব চিহ্নিতকরন।
কর্মশালা থেকে প্রত্যাশিত ফলাফল প্রকল্প পরবর্তী সময়ে যুব দল, অংশিদার সংস্থা, কর্মসূচির কাঠামো এবং নেটওয়ার্কিয়ের জন্য সুস্পষ্ট স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি অগ্রাধিকারসহ একটি যৌথ টেকসইতা ভিশন ও রুপান্তর রোডম্যাপ প্রনীত হবে।
প্রকল্প সমাপ্তির পর অংশীদার সংস্থা, যুব প্রতিনিধিবৃন্দ, কমিউনিটি সদস্য সরকারী প্রতিনিধিগণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের ভুমিকা ও দায়িত্ব স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হবে।
একশনএইড বিদ্যমান কাঠামোর আওতায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, মেন্টরিং, কোচিং এবং যৌথ সম্পদ আহরনের মত বাস্তবসম্মত সহায়তা ব্যবস্থাসহ চলমান সহযোগিতা ও সমর্থনের একটি সমন্বিত কাঠামোতে সম্মতি প্রতিষ্ঠিত হবে।
সমগ্র অনুষ্ঠানিটি সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন ইয়ূথ ফেলো মাসুদ রানা।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রোগ্রাম অফিসার চন্দ্র শেখর হালদার, ফাইন্যান্স অফিসার চন্দন কুমার বৈদ্য, ইয়ূথ ফেলো শারমিন সুলতানা।