
নিজস্ব প্রতিবেদক,
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের দ্বীপ এলাকা গোলখালীর সাধারণ মানুষের প্রিয়মুখ এবং ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত জামির আলী জামু-কে নিয়ে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তি এবং তথাকথিত সংবাদকর্মী নিজেদের স্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়ে এই সাদা মনের মানুষটির সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করতে উঠেপড়ে লেগেছে।
সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে জামির আলী জামু-কে সীমান্ত সিন্ডিকেট বা মাদক-অস্ত্র পাচারের সাথে জড়িয়ে যে সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অনুসন্ধানে জানা গেছে, জামু এলাকার একজন প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। গোলখালী এলাকায় মাদক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তিনি সবসময় সোচ্চার থাকেন। মূলত পাচারকারী চক্রের হোতা ভারত নিবাসী যোগেশ এবং বর্তমানে কুয়েতে পলাতক আব্দুল্লাহর সাজানো ডিজিটাল প্রোপাগান্ডার শিকার হচ্ছেন তিনি।
গোলখালী দ্বীপের সাধারণ বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, জামির আলী জামু এলাকার সামাজিক বিবাদ মীমাংসা এবং মানুষের বিপদে-আপদে সবসময় পাশে থাকেন। তার জনপ্রিয়তা ও ন্যায়নিষ্ঠায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল তাকে ‘ডন’ বা ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অপচেষ্টা করছে। স্থানীয়দের দাবি, তার বিরুদ্ধে অতীতে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ নেই। কিছু অসাধু সংবাদকর্মী কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই তাকে পলাতক আসামি আব্দুল্লাহর সহযোগী হিসেবে দেখানোর যে চেষ্টা করছে, তা হাস্যকর এবং চরম মানহানিকর।
অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, ভারতের কুখ্যাত পাচারকারী যোগেশ এবং কুয়েতে বসে থাকা আব্দুল্লাহর সাথে জামুর কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই। বরং আব্দুল্লাহর মতো অপরাধীরা যখন বিদেশ থেকে ভিডিওর মাধ্যমে সম্মানিত ব্যক্তিদের দিকে আঙুল তোলে, তখন স্পষ্ট হয়ে যায় যে এটি একটি ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইলের অংশ। জামু এই পাচারকারী চক্রের প্রধান বাধা হওয়ার কারণেই তাকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা করার জন্য এই নোংরা খেলার অবতারণা করা হয়েছে।
জামির আলী জামুর পরিবার ও এলাকাবাসী এই মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা জানান, যারা কলম বিক্রি করে একজন নিরপরাধ মানুষকে অপরাধী বানানোর চেষ্টা করছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে। মিথ্যা তথ্য দিয়ে সম্মানহানির দায়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
গোলখালীর সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করেন, সত্যকে কখনো ধামাচাপা দিয়ে রাখা যায় না। জামির আলী জামু সম্পূর্ণ নির্দোষ এবং তাকে জড়িয়ে পাচারকারী চক্র ও কতিপয় সুযোগসন্ধানী সাংবাদিক যে জাল বুনেছে, তা অচিরেই প্রশাসনের সুষ্ঠু তদন্তে পরিষ্কার হয়ে যাবে।