
নিজস্ব প্রতিনিধি
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সাতক্ষীরা একই দিনে প্রকৃতি ও হৃদয়ের টান। একদিকে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, অন্যদিকে সুন্দরবন দিবস। দ্বৈত এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে সুন্দরবন সংলগ্ন মুন্সিগঞ্জের আকাশনীলা ইকো-পার্ক, নীলডুমুর এবং কলাগাছি এলাকায় পর্যটকদের পদচারণায় এখন উৎসবমুখর পরিবেশ।
শ্যামনগরের বৃহত্তম সড়ক পথ দিয়ে সুন্দরবনের কোলঘেঁষে গড়ে ওঠা আকাশনীলা ইকো-পার্ক আজ পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। এছাড়া এই অঞ্চলের স্বনামধন্য আবাসন কেন্দ্র বর্ষা রিসোর্ট ও সুশীলন রিসোর্টে আগে থেকেই কক্ষ বুকিং থাকায় তিল ধারণের জায়গা নেই। নীলডুমুর ঘাট থেকে ট্রলারে করে সুন্দরবনের ভেতরে কলাগাছি ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রে যাওয়ার পথে পর্যটকদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
ওয়াচ টাওয়ার থেকে বনের রূপ দেখে বিমোহিত হচ্ছেন ভ্রমণপিপাসুরা। বিশেষ করে তরুণ-তরুণী ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আসা দর্শনার্থীদের ভিড় গত কয়েক বছরের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।
আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন দিবস হওয়ায় পর্যটনের আনন্দের পাশাপাশি বন রক্ষার অঙ্গীকারও দেখা গেছে। স্থানীয় পরিবেশবাদী ও দর্শনার্থীরা জানান, সুন্দরবন আমাদের ফুসফুস, একে রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
এই বিশেষ দিন উপলক্ষে দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত ও ডিএসডি টিভি (DSD TV)-এর পক্ষ থেকে দেশবাসী ও পর্যটকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। পত্রিকার সম্পাদক মেহেদী হাসান এক বার্তায় বলেন,
“সুন্দরবন আমাদের জাতীয় সম্পদ। পর্যটনের প্রসারের পাশাপাশি বনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা সুন্দরবন এবং উপকূলীয় মানুষের খবর সবসময় গুরুত্বের সাথে তুলে ধরি।”
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শ্যামনগর থানা পুলিশ ও বন বিভাগের পক্ষ থেকে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নজরদারি ব্যবস্থা করা হয়েছে। পর্যটকদের এই ঢল আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।