1. live@dailysatkhirdiganta.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.dailysatkhirdiganta.com : দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন

কপিলমুনিতে ৪ লাখ টাকার টুর্নামেন্টে ‘রেফারিং কেলেঙ্কারি’ মাঠ ছাড়ল সন্ন্যাসগাছা ছাত্র সংসদ

প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক | কপিলমুনি

 

খুলনার কপিলমুনিতে ৪ লাখ টাকা প্রাইজমানির একটি ফুটবল টুর্নামেন্টে রেফারির নজিরবিহীন ভুল ও পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্তের জেরে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। গত শনিবার (২৪ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত ম্যাচে রেফারির বিতর্কিত আচরণের প্রতিবাদে হাফটাইমের পর সন্ন্যাসগাছা ছাত্র সংসদ খেলা বয়কট করে মাঠ ত্যাগ করে। প্রায় ১০ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে এই ঘটনায় স্থানীয় ফুটবল অঙ্গনে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

 

 

অভিযোগ উঠেছে, বড় বাজেটের এই টুর্নামেন্টে রেফারি প্যানেল নিয়োগে পেশাদারত্বের নূন্যতম তোয়াক্কা করা হয়নি। চারজন রেফারির মধ্যে মাত্র একজন প্রথম শ্রেণীর সনদধারী হওয়া সত্ত্বেও, রহস্যজনকভাবে প্রধান রেফারির (হুইসেল) দায়িত্ব পালন করেন তৃতীয় শ্রেণীর রেফারি বরুণ কুমার সানা। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন নাজমুল বারী, প্রণব সরকার ও আবু জাহিদ বাবলু। অভিজ্ঞ রেফারিকে সাইডলাইনে রেখে তৃতীয় শ্রেণীর রেফারিকে দিয়ে ম্যাচ পরিচালনার বিষয়টি আয়োজকদের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

 

 

খেলার প্রথমার্ধে সহকারী রেফারি নাজমুল করিমের একটি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে প্রথম উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। একটি স্পষ্ট অফসাইড পজিশন থেকে করা গোলকে তিনি বৈধ ঘোষণা করলে মাঠের খেলোয়াড় ও দর্শকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। মাঠের সাধারণ দর্শকদের দাবি, সিদ্ধান্তটি ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও পক্ষপাতদুষ্ট।

উত্তেজনা আরও বাড়ে যখন ডি-বক্সের ভেতর একটি পরিষ্কার ‘হ্যান্ডবল’ ও ‘অবৈধ বাধা’ (ফাউল) প্রধান রেফারি বরুণ কুমার সানা পুরোপুরি উপেক্ষা করেন। পেনাল্টির জোরালো দাবি থাকা সত্ত্বেও রেফারির নির্লিপ্ততা দর্শকদের চরম ক্ষুব্ধ করে তোলে।

 

রেফারির একের পর এক একপেশে সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সন্ন্যাসগাছা ছাত্র সংসদ দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামতে অস্বীকৃতি জানায়। দলের কর্মকর্তাদের দাবি, পক্ষপাতদুষ্ট রেফারিংয়ের শিকার হয়ে ম্যাচ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। ফলশ্রুতিতে মাঠে উপস্থিত প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার দর্শক খেলা না দেখেই হতাশ হয়ে মাঠ ত্যাগ করেন।

 

স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকদের মতে, বড় বাজেটের টুর্নামেন্টগুলোতে এমন নিম্নমানের রেফারিং গ্রামবাংলার ফুটবলের ভবিষ্যৎকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্ত চার রেফারির বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত