
নিজস্ব প্রতিবেদক,
সাতক্ষীরা ‘আহা, আজি এ বসন্তে এত ফুল ফুটে, এত বাঁশি বাজে, এত পাখি গায়…’কবির সেই চিরায়ত পঙ্ক্তিমালাকে সত্য প্রমাণ করে আজ পহেলা ফাল্গুন। শীতের রিক্ততা কাটিয়ে প্রকৃতিতে লেগেছে ঋতুরাজ বসন্তের ছোঁয়া। চারদিকে এখন শুধুই রঙের খেলা আর দক্ষিণা বাতাসের হিল্লোল।
প্রকৃতির এই রূপবদল সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান হচ্ছে সাতক্ষীরার গ্রামগঞ্জ ও শহরের অলিতে-গলিতে। আজ সকাল থেকেই গাছে গাছে কোকিলের সুমধুর কুহুতান জানান দিচ্ছে—শীতের জীর্ণতা পেছনে ফেলে নতুন জীবনের জয়গান গাইছে প্রকৃতি। ফাল্গুনের এই মায়াবী বাতাসের স্পর্শে প্রতিটি মানুষের মনে জেগেছে নতুন এক অনুভূতি।
দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত পত্রিকার সম্পাদক মেহেদী হাসান বসন্তের এই স্নিগ্ধতা নিয়ে তাঁর বিশেষ অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন:
“এবারের বসন্ত যেন একটু ভিন্ন আঙ্গিকে ধরা দিয়েছে। সাতক্ষীরার আকাশে-বাতাসে এখন ফাল্গুনের উন্মাদনা। দীর্ঘ সময় পর প্রকৃতি যখন নতুন সাজে সাজে এবং কোকিল তার আপন সুরে গান গেয়ে ওঠে, তখন প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে এক অদ্ভুত প্রশান্তি ও জাগরণ তৈরি হয়। এই বসন্ত আমাদের কর্মব্যস্ত জীবনে নতুন প্রাণশক্তির সঞ্চার করুক।”
শহরের উদ্যান থেকে শুরু করে গ্রামীণ জনপদ—সর্বত্রই এখন বাসন্তী রঙের পোশাক আর ফুলের সাজে উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রকৃতিপ্রেমীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জের মাঝেও বসন্তের এই সময়োচিত আগমন প্রাণের স্পন্দনকে আরও সতেজ করে তুলেছে। বসন্তের এই মৃদুমন্দ হাওয়া আর কোকিলের ডাক যেন যান্ত্রিক জীবনে এক পশলা শান্তির বৃষ্টি হয়ে এসেছে।